সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাচাল বলছি

বাপের আমি বাপ্ কথায় ধরে হাঁফ এমন ছেলের জেরায় পড়লে সাত-খুনী পাবে মাপ কথার পর কথা বলছি যথাতথা সর্ব বিষয়ে বোদ্ধা আমি কেউ খুলো না খাপ একের পর এক বলছি কথা দেখ খই ফুটছে মুখের ওপর কেউ পাবে না মাপ ইচ্ছে হলে পড়বো যেমন খুশি বলবো মুখের ওপর ভয় দেখালে বাড়বে ভীষন চাপ পুলিশ ডেকে ফোনে বলবো প্রাণে মনে দেখবে মজা বকলে বেশি কেউ পাবে না মাপ বই খাতা না খুলে রাখলে তাকে তুলে কেবল তখন মুক্তি পাবে এবং পাবে মাপ ভয় পেলে না বুঝি? তাকাও সোজাসুজি নিচেই আছি সশরীরে এড়ালেই হবে পাপ ============== https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2515398718581772&id=100003350041426

সবুজ রোদের টিয়া

প্রকৃতি-বিষয়ক-ছড়া : ছড়াকার আলী হোসেন  ছোট্টবেলার ছোট্ট কুড়ি, ফুলের মতই ভাসে তার ওপরে একফোঁটা জল মিঠেল রোদে হাসে তাইনা দেখে ছোট্ট টিয়া ভাবছে যাবো উড়াল দিয়া শঙ্খচিলের ডানায় ভেসে সবুজ রোদের পাশে ছোট্ট টিয়া বেড়ায় উড়ি সবুজ রোদের আশায় স্বপ্নের রঙ দেয়না উকি তার সে ছোট্ট বাসায় কী তার কারণ বলা বারন বলছি না তাই আসল কারণ ছোট্ট টিয়ার ভোরের আলোয় আঁধার কেন শাসায় -------x-------- ছড়াটির রাজনৈতিক রূপ দেখুন এখানে

মণিকানা

মণিকানা : লিখেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার আলী হোসেন।  ভর-দুপুরে ছোটকা ছুটে বললো এসে, জানিস পুটে পণ করেছেন পরমহংস মরবে মাথাকূটে। ছোটকা বলে ছোট্ট করে ‘শোন কথা তোর মনটি ভরে পাঁচ শতকের দুঃখ এবার যাবেই বুঝি টুটে’ অবাক চোখে তাকায় পুটে কাক ঘুম তার গেল ছুটে প্রশ্ন করে ছোট্ট মুখেঃ ‘মসজিদ নয় মন্দির হলে দুঃখ মোদের যাবে টুটে? কেমন করে হয়? শুনে তোমার এসব কথা লাগছে আমার প্রাণে ব্যাথা এবং একটু ভয়। মন্দির বা মসজিদ হলে চটকল কি যাবে খুলে কাজ পাবেকি আমার ছোটমামা? ফুটপাতের ঐ ছোট্ট ছেলে শিদ কেটে যে গেল জেলে স্কুলে কি পারবে যেতে পরে রঙিন জামা? ছোটকা ফেলে ছোট্ট শ্বাস পালিয়ে যায় কাটিয়ে পাশ উত্তর এর নেই তো কিছু জানা বুঝতে পারে ছোটকা এবার ভুল ছিল তার ভাবায় সেবার চোখ থাকতে ছিলেন মণিকানা। ------------- ০৭/১০/২০০২ # পরমহংস দাস। ইনি রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে আন্দোলনকারী তপস্বী ছাউনির মহন্ত। রামমন্দিরের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছিলেন।

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন