সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

রাজনৈতিক-ছড়া লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফুলের কেচ্ছা

ফুলের কেচ্ছা ফুলের কেচ্ছা। আলী হোসেন। — আলী হোসেন ট্যাপায় বলে টেপিরে তুই, বলতো দেখি খুলে কোন ফুলেতে গন্ধ ভালো যাচ্ছি শুধু ভুলে। মিচকি হেসে বলল টেপি, তুই তো ভীষণ বোকা! ফুলে ফুলে ফারাক ভেবে, খাচ্ছিস কেবল ধোঁকা। মা ও মাটির রঙ গেরুয়া, এই মাটি নয় ফানুসে এই মাটিতে যে ফুল ফুটুক, গন্ধ হবে একই সে। এইটুকু তুই বুঝলি না তো, বৃথাই গেলি ইস্কুলে লাল সালুকে সরিয়ে মাথা, চিন্তাকে তুই দিস খুলে। বুঝবি তখন একই সুবাস, এক ফুলেরই ভায়রা ভাই ভিন্ন রঙের মোড়ক দিলেও, ভিন্ন কোন গন্ধ নাই। ----------xx----------- ‘লালসালু’ মূলত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত ও কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি গ্রামীণ সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার, ভণ্ডামি ও মানুষের অন্ধবিশ্বাসকে মজিদ নামক এক স্বার্থান্বেষী চরিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে। ‘লালসালু’ শব্দটি একটি লাল রঙের সুতি কাপড়কেও বোঝায়, যা মাজার বা কবর ঢেকে রাখতে ব্যবহৃত হয়। লালসালু উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য: • বিষয়বস্তু: ধর্মব্যবসায়ী মজিদের মিথ্যে মাজার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শোষণ। • প্রেক্ষাপট: ১৯৪০-৫০ দশকের গ্রামীণ বাংলাদেশ। • প্...

কুস্তি

কুস্তি আলী হোসেন দিদি আমার বড্ডো চালাক, তাই কুস্তি লড়েন দিনে রাতের বেলায় দুহাত তুলে সাপটে থাকেন কমলা ফুলে রাত পোহালেই দিদির চ্যালায় নিত্যনতুন নাটক গেলায় যেন, দাদা-দিদির প্রেম শায়েরি, কেউ না ফেলে চিনে। ----------xx----------

হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই

হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই! এর ভেতরে সত্য নেই  হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই! এটাও ভাবার যুক্তি নেই  ধর্ম বেচে খাচ্ছে যারা, এসব কথা শেখায় তারা এর ভেতরের গহীন মানে সে-সব শুধু তারাই জানে এবং বোঝে এবং মানে, যার মাথাতে গোবর নেই, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই! এর চেয়ে বড় মিথ্যে নেই। রাজায় রাজায় দোস্তি করে, উলু খাগড়ায় কুস্তি লড়ে রাজা এটা ভালই জানে, তারা নিজের সাথে নিজে লড়ে মুচকি হেসে মুখটা খুলে চায়ের কাপে ধোঁয়া তুলে বোঝায় কাকে শত্রু ব’লে ধর্ম রক্ষার নানান ছলে গুলিয়ে দিয়ে শত্রু কারা, তোমার বুকেই ত্রিশূল ছোড়ে নিজের জীবন বাজি রেখে, তুমি সাজো রাজার বোড়ে ---------xx--------- পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন এখানে

লজ্জা তোমার নাই

লজ্জা তোমার নাই আলী হোসেন শিক্ষা নিয়ে খেলছো খেলা, লজ্জা তোমার নাই শিক্ষাগুরুর মাথায় মারো থানায় তাদের ডাকতে পারো; আমরাও পারি উল্টো রথে চলতে বসতে শক্ত পথে করছি দাবি সসম্মানে, তাদের পুনর্বহাল চাই। করছে দাবি মুষ্টি তুলে, ঝুলবে কেন তোমার শূলে সর্বহারার সকল শিশু শিক্ষা হারা দীনের যীশু; দুর্নীতিতে ডুবিয়ে দুহাত দিনকে যারা বানালো রাত চাইছে তাদের কঠিন সাজা, কঠিন মুঠি তুলে। ----------xx--------

হিমুর সহজপাঠ

হিমুর সহজপাঠ আলী হোসেনের ছড়া : হিমুর সহজপাঠ  অ  অমল বানায় নতুন বাড়ি, আজিজ গাঁথে ইট সেই বাড়িতে কে উঁকি দেয়, সুতোয় দিতে গিঁট আ  আকাশ বলে হেসে হেসে, শোনরে বোকা আলী মশলায় রাজা মেশায় জানিস দ্বেষ মেশানো বালি ই ইদের সিমাই যখন নিমাই মনের সুখে খায় বুক ভরে যায় কাসেম শেখের রাজায় আঁড়ে চায় ঈ ঈশ্বর হাসে এসব দেখে মানুষ বেজায় বোকা বোঝে না সে আমার নামে শয়তানে দেয় ধোঁকা উ উড়ে এসে বিভেদ বাড়ায় সব শোষকের ভাই মানুষ কবে বুঝবি তোদের পৃথক করি নাই ঊ ঊনিশ বিশে ধানের শীষে মোহর ধরায় যারা ধর্মের ষাঁড় গোলায় ভরে, খায় না খাটে যারা ঋ ‘ঋষি’ মশাই শোনায় শমন, ধর্মেতে নেই মতি নরক তোদের শিয়রে শোন, হবে ভীষণ ক্ষতি এ এক্কা গাড়ি যাবে ছাড়ি চড়বে হওয়াই গাড়ি ধর্ম রক্ষায় ক্ষুদ্র জীবন যারাই দেবে ছাড়ি ঐ ঐ দেখা যায় শত্রু তোমার, খড়গ তুলে ধরো জীবন যদি যায় তবে যাক, ধর্ম রক্ষা করো ও ওই দেখা যায় স্বর্গ তোমার বৃথাই খোঁজো সুখ ধর্ম শত্রুই আসল শত্রু, মারলেই ঘোঁচে দুখ  ঔ ঔষধ পত্র, ছেলের শিক্ষা, কিম্বা মেয়ের বিয়ে এসব কিছুই তুচ্ছ, দ্যাখো ধর্মেতে মন দিয়ে ক কমল কাকুর মন ভরে যায়, গোলাম আলীর গা...

যে যায় লঙ্কায় - আলী হোসেন

যে যায় লঙ্কায় আলী হোসেন চ্যাং বলে ব্যাঙকে, কেন ডাকিস ঘ্যাঁঘো কান-মাথা ধরে যায় ডেকে যাস ম্যা-গো ব্যাঙ বলে শোন্ চ্যাঙ চোখ কান খুলে বেশি কথা বলবি তো দেবো কান মুলে এ রাজ্যের রানি আমি, রাজা তাই বর প্রজা হয়ে দোষ ধরিস, তুই তো বর্বর! চ্যাং বলে, সেকি কথা আইন তো জোর ডেসিবেল মেনে চলা উচিৎ না তোর!! ব্যাঙ বলে, আরে বোকা দেখ তুই চোখে অহেতুক মরলি তো শুধু বকে-শোকে যে রাজা করে আইন ভাঙে সেই জন না জানলে জান আগে, শোন দিয়ে মন চ্যাং বলে শোন্ ব্যাঙ আইন তো সবার সেটাই তো মেনে হবে, যা কিছু হবার ব্যাঙ বলে শোন্ চ্যাং বকিস না মেলা চারিদিকে ঘোরে দেখ মোর চেলাবেলা আইন যে করে জানিস তার অধিকার আইনকে মানা কিম্বা তাকে বধিবার চ্যাং বলে, শোন্ ব্যাঙ তুই হ’লি রানি আমরা মানছি বলে তুই হলি মানি রানি বলে চুপ যা, কথা শোনে মা-বোন যে-ই যায় লঙ্কায় সে-ই হয় রাবণ ---------xx-------- পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন ফেসবুকে ।

মানব যখন দানব সাজে - আলী হোসেন

মানব যখন দানব সাজে আলী হোসেনের রাজনৈতিক ছড়া ইরাক ২১ মার্চ ২০০৩, বিমান হামলার সময় বিস্ফোরণ মানব যখন দানব সাজে বিবেক ওঠে লাটে মানব শিশু পায় না যিশু মসজিদ কিম্বা মঠে। যিশুর দেশে শিশু কাঁদে বুশের খুশি ঠোঁটে টনির কাঁধের শনি হাসে মরুর মাঠে-ঘাটে। গণতন্ত্রের গায়ক যারা গণহত্যায় মাতে গণের বুকে বুলেট চালায় লজ্জা হয় না তাতে। লজ্জা হল নারীর ভূষণ বীরের নাহি সাজে বুশ ব্লেয়ার বীর ও পুরুষ বিশ্ব বকছে বাজে। মুক্তি দেওয়ার যুক্তি দিয়েই বীরের ঘুষোঘুষি টনির টনক তেলের টানে এখন বেজায় খুশি। ঘুষ দিয়ে বুশ হলেন জয়ী টাকায় কিনে সেনা বেইমানেরই বেইমানিতে ইরাক হল কেনা। ---------xx-------- Ali Hossain H/O : Asraf Ali Nasker Brahmapur, Battala Bazar ( Near Post Office ) Kolkata-7000 96

ছানি

ছানি আলী হোসেন  গণতন্ত্রের মুখোশ পরে ঘুরছে দেশের রাজা রাজ ভিক্ষার আশায় প্রজা খাচ্ছে গরল গাঁজা রাজায় রাজায় পিরিত দেখেও হুশ ফেরেনা তাই রাজ পিরিতে বেহুস হয়ে ভাইকে মারে ভাই। ভাইয়ের রক্তে রাঙাও দু'হাত রাজার প্রেমে পড়ে রাজায় রাজায় দোস্তি ক'রে উলু খাগড়ায় মরে গণতন্ত্রের গাজন শুনে শিরদাঁড়া দাও এলিয়ে স্বপ্ন দেখার সাহস খোঁজো চক্ষু দুটো মেলিয়ে। জ্ঞান চক্ষুতে ছানি তোমার সন্ধ্যায় দেখো সকাল জানলে না কে লিখছে কেন তোমার ভাঙা কপাল। ---------xx--------- ✍️ পাঠকের মতামত 👉 দেখুন ফেসবুকে

রাজ ভিক্ষা

রাজ ভিক্ষা  ভক্ত বানাও ফ্রীতে - আলী হোসেন যত অন্ধত্ব তত রাজত্ব, খুশির খবর শোনো পেলে শিক্ষা রাজ ভিক্ষা, চাইবে না কেউ কোনো চাইবে যা তা দুর্মূল্য, না চাও যদি দিতে শিক্ষা দীক্ষা লাটে তুলে, ধর্ম শেখাও ফ্রিতে।  ধর্ম তোমার বর্ম হবে চিন্তা কেন করো বিদ্বেষী বিষ মিশিয়ে দিয়ে চুপ্টি করে সরো ভাতের খিদেয় ফোঁসে যদি সেটাও সামলে নিতে শিক্ষা দীক্ষা লাটে তুলে, ভক্ত বানাও ফ্রীতে। --------xx--------- ২৪/০৫/২০২২, ১১ঃ২৪ সকাল

রোদ পোহাচ্ছ তুমি

সকাল-সন্ধ্যা এক করেছি, দেখতে মুখের হাসি তাইতো তো সকাল মুচকি হাসে ঘামের শিশির সঙ্গে আসে সেই শিশিরে ভিজিয়ে ভূমি নাটক করে বেচছো তুমি ঘামের ফসল শুষে নিতে, বলছো ভালোবাসি। যে-ই ফসলের করছি দাবি, দেশমাতাকে চুমি তখনই দেখি আকাশ ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন রক্তে রেঙে সেই রক্ত লাগিয়ে জামায় দেশদ্রোহী সাজাও আমায় সেই রক্তেই পুড়ছি যখন, রোদ পোয়াচ্ছ তুমি।

হাত-মাথার কেচ্ছা

মাথা বলে হাত বড়ো পাজি ছোট লোক তাও হাত বলে আমি ছাড়া তুমি কীভাবে কী খাও? হাত বলে খেতে হয় খেটে খোঁজ রাখো কোন? তুমি শুধু খাও দাও আর কড়ি কাঠ গোনো মাথা বলে বেয়াদব দেখো এত কেন কথা হাত বলে বলি যদি কারণ  বুকে পাবে ব্যথা বল দেখি হতভাগা শুনি কারণ কী তার হাত বলে বলবে কীভাবে মুখ বাঁধা যার আমি খাটি তুমি খাও শুধু জানে বিশ্ববাসি বললে সে কথা মুখে তুমি দিয়ে দাও ফাঁসি কথা তাই বাঁধা থাক বুকে আজ শুধু গাই হাতে হাত রেখে বাঁধি সারি মাথা হতে চাই ------##------- ফেসবুকে দেখুন এখানে ক্লিক করে 

আলোর দশা

আলী হোসেনের ছড়া / আলোর দশা / রাজনৈতিক ছড়া  আমার জন্য তোমার কথা তোমার জন্য আমার ভাবতে এখন খটকা লাগে বিশ্বাসেতেও আঁচড় জাগে রাগে অনুরাগে জমে, মেঘের মত দ্বেষ মন জানে না কেন। ভালোবাসার জন্য দামি জনে’র চেয়ে মনই মানি জাতের বেড়ার আগল ভেঙে ভালোবাসার ডিঙায় রেঙে তোমার মন পাড়ি দিতে, ভয় যে লাগে বেশ, মন জানে না কেন। পশুর চেয়ে দামি আমি বুক বাজিয়ে বলতে তুমি আজ বললে বিপদ বাড়ে দৈর্ঘ্য প্রস্থে এবং আড়ে সহজ পাঠের শেষে দেখি, বেড়েই চলে দ্বেষ, মন জানে না কেন। মন জানে না মনের কথা বলছি যখন যথা তথা একরত্তি আলোর খাতা, আলতো ছুঁয়ে চোখের পাতা বলল দেখ, তোমার ‘আলোর দশা’ শেষ --------------xx---------------- ছড়াকার আলী হোসেনের এই ধরণের আরও ছড়া পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

ভাবো

ভাবো আলী হোসেনের ছড়া ভোট হয়েছে ভোট দিয়েছো, নেতা হলেন যারা তাদের জন্য আর কিছু নয়, মানুষ যাচ্ছে মারা ভুল না? ভাবো তুমিই মারছো তুমিই মরছো মাথায় কিছুই নাই ভেবে দেখো নেতার কথায়, ভাইকে মারছে ভাই ভুল না? ভাবো কেউ বলছে হিন্দু মরছে, কেউ বা মুসলমান কানের জন্য চিলের পিছু ছোটে না বুদ্ধিমান ঠিক না? ভাবো ভোটের পরে মরছে কারা, নেতা মন্ত্রী মোটেই নয় সেফ জোনেতে খেলছে তারা তোমার শিরায় ভয় সত্যি না? ভাবো তোমার মাথায় শূন্য ঘোরে, মগজ ঘোরাও তাতে তোমার মাথায় কাঁঠাল রেখে নেতা না খায় যাতে ভুল কথা? ভাবো ভুল বোঝাতে ব্যস্ত নেতা, মাথায় কিচ্ছু ঢোকে না ধর্ম দিয়ে বিভেদ ছড়ায়,  বুঝতেই তুমি পারো না ঠিক না? ভাবো গণতন্ত্র মানে তোমার শাসন, নেতার শাসন নয় একবারও কি ভাবছো তুমি উল্টো কেন হয়? ভাবো না, তাই গরিব মারছে গরিবকে, ভাবছো হিন্দু-মুসলমান এ ভুল যদি শুধরাও তুমি, চিল নেবে না কান এছাড়া মুক্তি? নাই

মিডিয়া ভাইরাস

ছড়া : মিডিয়া ভাইরাস লিখেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার আলী হোসেন করোনায় কাবু গোদি বাবু মুচকি হাসে গোঁফে সবাই ভাবে সবিস্ময়ে প্রাণ দিচ্ছে সোপে              তিনি             দেশের কথা ভেবে তাই না দেখে হঠাৎ ক্ষেপে ছবির মাসি বলে ভেক ধরেছে গোদি বাবু দেশ বেচবে বলে              উনি             সব বিকিয়ে দেবে এসব শুনে আঙ্গুল গুনে সূর্য মামা বলে কারো কথায় কান দিও না সবাই চোরের দলে               দেখো              অর্থশাস্ত্র খুলে আমি বোকা বৃদ্ধ খোকা অবাক হয়ে ভাবি সত্যি কারা বলছে বোঝার কোথায় পাবো চাবি                দেখি                মিডিয়াটা খুলে অর্ন গোসাই বিদ্যে বোঝাই বোঝায় বড় ভালো গোদি বাবুই সাচ্ছা প্রেমিক আর সকলে কালো                তিনি           ...

শীতলকুচি

আলী হোসেনের কবিতা : শীতলকুচি  বৈশাখ তুমি আবার ফিরে এলে আমের গন্ধে হাওয়ায় দোলা শীষে হঠাৎ মুকুল কুয়াশায় গেল ঢেকে শীতলকুচির দমকা হাওয়া মিশে দমকা হওয়ায় বাজলো বিষের বাঁশি আনন্দ আর নূর আলমের শিবে কালবৈশাখী হঠাৎ খেলো গিলে আঠারোর তেজ জ্বলেই গেল নিভে নিভলো বাতি আঠারোর উল্লাসে রক্ষক যে, ভক্ষক হল সে-ই শীতলকুচির শীতল হওয়ায় ভেসে ভুলিয়ে দিল ক্ষুধার যে জাত নেই বৈশাখ তুমি এ কোন সকাল দিলে রাম-রহিমের বুকের মধ্যে বুনে সৌহার্দ্যের বৃষ্টি ভেজা সিন্ধু শুকিয়ে গেল বিভেদী সুর শুনে যারা, বিভেদী সুর বাজায় নিত্যদিন বৈশাখ তুমি কাল হয়ে তার ঘাড়ে মরন সে বীন বাজিয়ে দিও এসে যেন, রাত পোহালে বিভেদপন্থী হারে           --------////--------- রচনাকাল ঃ ১৫/০৪/২০২১, সকাল ০৮ : ৫৬ 🔳 শিব’ শব্দের বর্ণ অনুসারে ব্যাখা শিবপুরানের একস্থানে দৃষ্ট হয়। শ+ই+ব= শিব। ‘শ’ কার শব্দের অর্থ নিত্য সুখ ও আনন্দ । ‘ই’ কার শব্দের অর্থ পুরুষ এবং ‘ব’ কার শব্দের অর্থ অমৃতশক্তি।

ভাওতাবাজি

ভাওতা বাজি শুনতে রাজি বলবো তবু তাই, এসব আমার নাকের নস্যি কানে শুনতে নাই।😀 এমন মিথ্যা বলি সদাই দোষ ধরে সব হ্যাংলা মিথ্যা দিয়েই ত্রিপুরা দখল এখন বাকি বাংলা। প্রসঙ্গ দেখুন এখানে ক্লিক করে

পরজীবী কিচ্ছা

সকাল-সন্ধ্যা এক করেছি, ফুটবে মুখে হাসি ছোঁয়ায় আমার সূর্য্য হাসে ঘামের শিশির জমলো ঘাসে সেই শিশিরে ভিজিয়ে ভূমি নাটক করে বেচছো তুমি ঘামের ফসল শুষে নিয়ে, বলছো ভালোবাসি। ন্যায্য দাবি করছি এখন, দেশমাতাকে চুমি আমার ছোঁয়ায় রৌদ্র হেসে আসছে কাছে ভালোবেসে পরজীবী বানিয়ে আমায় সাজালে দেশদ্রোহী-জামায় ভীষণ শীতে জাগছি এখন, রোদ পোয়াচ্ছ তুমি।

পাপ মোচন

পাপ করেছো ভয় পেওনা এসো আমার দলে আমার আছে পাপ মোছানো কল যে করতলে এক ছোঁয়াতে পাপ মোছাবো আর এক ছোঁয়ায় খুন জয় সিহিরাম বললে মুখে ঘুষ নেওয়া হয় গুণ ঘুষ নিয়েছো বেশ করেছ এবার কাছে এসো ই-ডি সি-বি-আই জানো তো আমার বড় মেসো মেসোর আমার অনেক গুণ বললে শোনে কথা কথা আমার না শুনলে সে পায় যে ভীষণ ব্যাথা যা ইচ্ছা তাই করো এসো আমার পদতলে আমার হাতের জাদুতে পাপ নিত্য মোছা চলে। হাসছো বুঝি বুজঝো না তো খুঁজছো বুঝি বেসিন? জানোনা বুঝি কিনেছি কবেই পাপ মোছানো মেশিন!

মুষ্টি ওঠাও

কৃষক, ও কৃষি আন্দোলন ২০২০ সংক্রান্ত ছড়া। লিখেছেন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ছড়াকার আলী হোসেন। কৃষক তুমি মুষ্টি ওঠাও সঙ্গে আছি আমরা তুমি আমার অন্নদাতা তুমিই জীবন ভোমরা কৃষক তুমি মুষ্টি ওঠাও সঙ্গে সারা দেশ তোমার মুঠো-শক্তি বোঝে পুঁজির ছদ্মবেশ কৃষক তুমি মুষ্টি ওঠাও বলছে মাঝিমাল্লা পুঁজির ফোঁড়ে হারবে ভারী হবে তোমার পাল্লা কৃষক তুমি মুষ্টি ওঠাও সঙ্গে শ্রমিক সেনা পুঁজির ফড়ে বুঝুক তোমায় যায়না কেন কেনা কৃষক তুমি মুষ্টি ওঠাও সঙ্গে ছাত্র-যুব তারাও বোঝে শাসক-পুঁজির সঙ্গ হয়না শুভ কৃষক তুমি মুষ্টি ওঠাও আমরা আছি সঙ্গে তোমার যারা শত্রু তারা বিফল হবে বঙ্গে। কৃষক তুমি মুষ্টি ওঠাও জয়ী হবে তুমি তোমার সঙ্গে সবাই আছে গড়তে স্বপ্ন ভূমি কৃষক আন্দোলন বিষয়ক ছড়া আরও ছড়া : ঘামের গাথা ঘাম কথা মুষ্টি ওঠাও

ঘামকথা

ঘামকথা : আলী হোসেন আলী হোসেনের কৃষক আন্দোলন বিষয়ক ছড়া খাওয়াও তুমি পাওনা খেতে, এটাই তোমার দেশ তোমার আকাশ তোমার ভুবাস তোমার ঘামের গন্ধ-সুবাস নেয় শুষে যার ঝরে না ঘাম রোদে পোড়ার দেয় না যে দাম রক্ত শুষতে বানায় কানুন, তারা ধরেন ছদ্মবেশ। এই কানুন কী মানবে তুমি, মুষ্টি ওঠাও গুনতে তোমার ঘামের মূল্য যত শুধতে হবে এ ঋণ তত বানিয়ে তোমায় দাবার বোড়ে ভাগ না বসায় পুঁজির ফড়ে বিক্রি হয় না ঘামকথা, তা বাধ্য করো শুনতে। দেখুন ফেসবুকে। এখানে ক্লিক করুন দেখুন YourQute এ। কৃষক আন্দোলন বিষয়ক ছড়া আরও ছড়া : ঘামের গাথা ঘাম কথা মুষ্টি ওঠাও

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন