জন্মদিন জন্মদিন: নথিহীন বঞ্চিত মানুষের হাহাকার ও 'ছড়াক্কা' আঙ্গিকের মানবিক আহ্বান। জন্ম দিনের জন্ম কবে, যারা পাইনি নথি ঘেঁটে এদিক সেদিক তাকিয়ে তারা পায়নি হদিস তারিখ যারা ফুটপাতের ওই ছোট্ট কোণে লক্ষ চোখে তাকিয়ে শোনে ক্ষুধাজ্বরটা জন্মদিনেও, দাঁড়িয়ে দেওয়াল সেঁটে। এ দিন তোমার হয়নি দেখা, আমি পাচ্ছি নথি ঘেঁটে সুদিন তোমার সঙ্গি হোক দখিন হাওয়ায় সরিয়ে শোক যেমন থাকে সন্ধ্যা তারায় যখন নাবিক পথটি হারায় তেমন থেকো লক্ষ চোখে, তুমি মনির মতো সেঁটে।
ফুলের কেচ্ছা ফুলের কেচ্ছা। আলী হোসেন। — আলী হোসেন ট্যাপায় বলে টেপিরে তুই, বলতো দেখি খুলে কোন ফুলেতে গন্ধ ভালো যাচ্ছি শুধু ভুলে। মিচকি হেসে বলল টেপি, তুই তো ভীষণ বোকা! ফুলে ফুলে ফারাক ভেবে, খাচ্ছিস কেবল ধোঁকা। মা ও মাটির রঙ গেরুয়া, এই মাটি নয় ফানুসে এই মাটিতে যে ফুল ফুটুক, গন্ধ হবে একই সে। এইটুকু তুই বুঝলি না তো, বৃথাই গেলি ইস্কুলে লাল সালুকে সরিয়ে মাথা, চিন্তাকে তুই দিস খুলে। বুঝবি তখন একই সুবাস, এক ফুলেরই ভায়রা ভাই ভিন্ন রঙের মোড়ক দিলেও, ভিন্ন কোন গন্ধ নাই। ----------xx----------- ‘লালসালু’ মূলত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত ও কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি গ্রামীণ সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার, ভণ্ডামি ও মানুষের অন্ধবিশ্বাসকে মজিদ নামক এক স্বার্থান্বেষী চরিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে। ‘লালসালু’ শব্দটি একটি লাল রঙের সুতি কাপড়কেও বোঝায়, যা মাজার বা কবর ঢেকে রাখতে ব্যবহৃত হয়। লালসালু উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য: • বিষয়বস্তু: ধর্মব্যবসায়ী মজিদের মিথ্যে মাজার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শোষণ। • প্রেক্ষাপট: ১৯৪০-৫০ দশকের গ্রামীণ বাংলাদেশ। • প্...