সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2021 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শুঁয়োপতি। আলী হোসেনের ছড়া

শুঁয়োপোকা নিয়ে ছড়া কবিতা : শুঁয়োপতি। লিখছেন আলী হোসেন।  ছোট্ট ছোট্ট পা ঘুরতে থাকে গাঁ  রঙিন ফুলে চোখ বেঁধে যায় মন যে সরে না, সবুজ পাতার নেশায় মাতে গালভরা সব রূপকথাতে এর দেখা যে মোটেও পাবেনা। সজনে গাছের গোড়ায় ভোরে কিংবা সবুজ পাতার পরে ঘাপটি মেরে দিন যে কাটে তার দিনের শেষে রাত্রি এলে আনন্দে সে হাত-পা মেলে যার খায় তার মটকে ধরে ঘাড় এরপর সেই সুদিন এলে ছোট্ট রঙিন পাখা মেলে ফুল ফুল তার ফুলের হলে বাড়, গুনগুনিয়ে গান ভাঙে আর পাল তুলে দে বাতাস গাঙে ভুবন ভোলায় আঁকড়ে ধরে দাড়।  --------------- 📗 ছড়াকার আলী হোসেনের লেখা ছড়া 'শুঁয়োপতি'।  ছড়াটি 'নিখিল ভারত শিশুসাহিত্য সংসদ' কর্তৃক প্রকাশিত 'আলোর ফুলকি' পত্রিকায় ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।  👉👉দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার  আলী হোসেনের  আরও  ছড়া  পড়ার জন্য  নিচের লিঙ্কে ক্লিক  করুন। ১)  প্রকৃতি বিষয়ক ছড়া  ছড়াকার আলী হোসেনের প্রকৃতি সংক্রান্ত ছড়া বা ছড়া কবিতাগুলোর সংকলন। পড়ার জন্য ওপরের লিঙ্কে ক্লিক করুন । এবং অবশ্যই আপনার সুচিন্তত মতামত দিয়ে ছড়াকারের সাথে থাকুন। ২)  রাজনৈতিক ছ...

আলোর দশা

আলী হোসেনের ছড়া / আলোর দশা / রাজনৈতিক ছড়া  আমার জন্য তোমার কথা তোমার জন্য আমার ভাবতে এখন খটকা লাগে বিশ্বাসেতেও আঁচড় জাগে রাগে অনুরাগে জমে, মেঘের মত দ্বেষ মন জানে না কেন। ভালোবাসার জন্য দামি জনে’র চেয়ে মনই মানি জাতের বেড়ার আগল ভেঙে ভালোবাসার ডিঙায় রেঙে তোমার মন পাড়ি দিতে, ভয় যে লাগে বেশ, মন জানে না কেন। পশুর চেয়ে দামি আমি বুক বাজিয়ে বলতে তুমি আজ বললে বিপদ বাড়ে দৈর্ঘ্য প্রস্থে এবং আড়ে সহজ পাঠের শেষে দেখি, বেড়েই চলে দ্বেষ, মন জানে না কেন। মন জানে না মনের কথা বলছি যখন যথা তথা একরত্তি আলোর খাতা, আলতো ছুঁয়ে চোখের পাতা বলল দেখ, তোমার ‘আলোর দশা’ শেষ --------------xx---------------- ছড়াকার আলী হোসেনের এই ধরণের আরও ছড়া পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

আলী হোসেন । ছড়া । কুরবানি

আলী হোসেনের উৎসব বিষয়ক ছড়া : কুরবানি আমার মধ্যে যেজন আছে জিভটি করে লাল সেজন কি আজ লজ্জা পেয়ে মন যমুনায় সাঁতরে যেয়ে লোভের নোঙ্গর খুলে দিলো উড়িয়ে দিতে হাল আমার মধ্যে যেজন আছে চোখটি করে ‘বড়’ সেজন কি আজ উড়িয়ে ধুলো মনের যত ময়লাগুলো কুরবানি কি দিতে তাকে করলো সেসব জড়ো আমার মধ্যে যেজন আছেন দম্ভ-রঙে রেঙে তার কাছে কি আজকে এসে একটুখানি ভালোবেসে কুরবানি কি দিচ্ছি তাকে দম্ভ-দেওয়াল ভেঙে আমার মধ্যে আছেন যিনি টাটায় ভীষণ চোখ তার কানে কি বলছে বাতাস জাত না দেখে বন্ধু পাতাস কুরবানি দাও বলছে কি সে ভুলে বিভেদ শোক এরাই যদি আমার প্রিয় প্রেমের চেয়ে দম্ভ বড় তবে আমার বৃথাই বড়াই অর্থ দিয়ে দম্ভ বাড়াই কুরবানিতে করছি সোনার পাথর-বাটি জড়ো                 –---------/--------- দেখুন Your Quate এ

শুভরাত্রি

দিনের শেষে রাত্রি নামে, আকাশ কালো করে কালোর নিচে আলোর আভাস, তাতেই থাকে ভরে। ভরার ভাঁড়ার শূন্য হলেও, ভয় পেয়ো না তাতে কারণ, শূন্য ভাঁড়ার পুর্ণ করার রসদ থাকে রাতে। শুভরাত্রি..... প্রসঙ্গ জানতে এখানে ক্লিক করুন

প্ৰণমি নজরুল

কবি নজরুল ইসলামকে নিয়ে ছড়া প্রণমি নজরুল - আলী হোসেন প্রণমি নজরুল - আলী হোসেন শিকল ভাঙার শব্দ শোনাও বজ্রকণ্ঠে তুমি সেই কন্ঠে কন্ঠ মেলায় বন্দি মাতৃভূমি তোমার কণ্ঠে ভীষণ সূর্য ভয় পেয়ে যায় চুমি তাতেই মাথা নোয়ায় দস্যু তোলে ভারতভুমি ঝরছে পাতা ঝরছে ফুল বসন্ত নেই সঙ্গে তুমিই গাইলে মিলন গাথা বাঁধন হারা বঙ্গে আজও বাঁধি ছন্দ-সুরে তোমার অনুষঙ্গে তবুও হয় শিকড় ছেঁড়ার গান তো নানা রঙ্গে তোমার গানে বৃষ্টি নামে মরুর শুকনো বুকে সেই বৃষ্টিই ভাসায় ভেলা ভাসি মনের সুখে মনের অসুখ কাটাই নিয়ে প্রেমের বীণা বুকে সাহস করে সামনে চলি সরিয়ে ভীষণ দুখে প্রেম-সানাই বাজিয়ে তুমি বাঁধলে বিষের বাঁশি বিভেদ ভুলে শুধরে দিলে ভুল যে রাশি রাশি সাম্যের গান গাইলে কেউ হাসলে কুটিল হাসি মিশিয়ে নর এবং নারী বললে ভালোবাসি নর ও নারী পরাগ-রেণু নয় তো অন্য কিছু দু'য়ের মিলন জীবন গড়ে হয় না ভিন্ন কিছু জীবনবীণা বাজিয়ে তুমি গাইলে অনেক কিছু তাই তো তোমায় সামনে নিয়ে হাঁটছি পিছু পিছু রঙ চটেছে ছবির ফ্রেমে নয় সে চোখের ভুল তোমার স্বপ্নে বিভোর দুটো এক বৃন্তের ফুল শিউলি ফোটা সকাল যখন সংগতে বুলবুল গানের বীণায় তোমায় ভাবি প্ৰণমি নজরুল ---------//...

চোরকে মোটেই চোর বলতে নাই

হলে, মরণকালে বুদ্ধিনাশ ধানকে বলে দুব্ব ঘাস ভাবছেন                  পটলা কিছুই বোঝে না চোর ধরতে সান্ত্রি এলো কাকের ধন বগায় খেলো ভাবছেন                  পটলা কিছুই জানে না এলো, চোর ধরতে চৌকিদার চোরের মালা গলায় তার ভাবছেন               পটলা কিছুই দেখছে না হঠাৎ পটলা তুললো হাই বলে,এক রত্তি মিথ্যা নাই ভাবুন                সত্যিই কিছু দেখছি না চৌকিদারের চটির তলায় চোরে যদি গলা গলায়  শুনুন              বলছি কিছু সত্যি ভাই সে ধানকে ঘাস বলতে পারে চাইলে পকেট কাটতে পারে চোরকে                 তবু চোর বলতে নাই              -----//-------

ইদের গান - ২

ইদের গান - ২, ছড়াকার আলী হোসেনের করোনা সংক্রান্ত একটি জনপ্রিয় ছড়া। ইদের খুশি বন্দি ঘরে,  বলছে কোনো উপায় নেই বাঁকা চাঁদের বুকের কোণে কষ্ট গাঁথা গহীন মনে আঁধার জমা সকাল এসে বলছে শোনো ছদ্মবেশে ভয় পেয়ো না তোমার সঙ্গে, আমার বিরোধ নেই। ইদের খুশি জানলা খুলে, বলছে সময় সুখের নয় আসছে বছর আসবো ফিরে, বসবো ঠিকই তোমায় ঘিরে রঙিন স্বপ্নে মনটা খুলে গাইবো গজল বিভেদ ভুলে,  রাম-রহিমের সাথে সুখে, কাটবে সময় মিছে নয়।                ------//----- ছড়াকার আলী হোসেনের উৎসব বিষয়ক আরও ছড়া পড়তে এখানে ক্লিক করুন । 

ভাবো

ভাবো আলী হোসেনের ছড়া ভোট হয়েছে ভোট দিয়েছো, নেতা হলেন যারা তাদের জন্য আর কিছু নয়, মানুষ যাচ্ছে মারা ভুল না? ভাবো তুমিই মারছো তুমিই মরছো মাথায় কিছুই নাই ভেবে দেখো নেতার কথায়, ভাইকে মারছে ভাই ভুল না? ভাবো কেউ বলছে হিন্দু মরছে, কেউ বা মুসলমান কানের জন্য চিলের পিছু ছোটে না বুদ্ধিমান ঠিক না? ভাবো ভোটের পরে মরছে কারা, নেতা মন্ত্রী মোটেই নয় সেফ জোনেতে খেলছে তারা তোমার শিরায় ভয় সত্যি না? ভাবো তোমার মাথায় শূন্য ঘোরে, মগজ ঘোরাও তাতে তোমার মাথায় কাঁঠাল রেখে নেতা না খায় যাতে ভুল কথা? ভাবো ভুল বোঝাতে ব্যস্ত নেতা, মাথায় কিচ্ছু ঢোকে না ধর্ম দিয়ে বিভেদ ছড়ায়,  বুঝতেই তুমি পারো না ঠিক না? ভাবো গণতন্ত্র মানে তোমার শাসন, নেতার শাসন নয় একবারও কি ভাবছো তুমি উল্টো কেন হয়? ভাবো না, তাই গরিব মারছে গরিবকে, ভাবছো হিন্দু-মুসলমান এ ভুল যদি শুধরাও তুমি, চিল নেবে না কান এছাড়া মুক্তি? নাই

মানা হলেন মান্না

সুরের রাজা মান্নাবাবু গান ধরেছেন কবেই না-না তা কম দিন নয়, দশক সাতেক হবেই সাত দশকের দাদাগিরি নয় তা শুধু বাংলায় আসমুদ্র-হিমাচল তো তার গানেতে হামলায় প্রথম প্রেমের মনের কথা তার কথাতে আসে তাঁর কথাতেই হাসি আবার কান্নাতে বুক ভাসে তাঁর গানেতে বিরহি হই তার গানে হই জয়ী তাঁর গানেতেই কাঁদছে দেশের বিচিত্র মৃন্ময়ী তাঁর গায়কি তাকেই চেনায় নয় সে অন্য কেউ তাঁর বিদায়ে কাঁদছে মাটি কাঁদছে সাগর ঢেউ কৃষ্ণ কাকায় ডাকেন ‘মানা’ শচীন ডাকেন তা-ই মুম্বাইয়েতে গিয়েই মানা মান্না  হলেন তাই দেখুন 👉 YourQuote দেখুন ফেসবুকের পাতায়

মিডিয়া ভাইরাস

ছড়া : মিডিয়া ভাইরাস লিখেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার আলী হোসেন করোনায় কাবু গোদি বাবু মুচকি হাসে গোঁফে সবাই ভাবে সবিস্ময়ে প্রাণ দিচ্ছে সোপে              তিনি             দেশের কথা ভেবে তাই না দেখে হঠাৎ ক্ষেপে ছবির মাসি বলে ভেক ধরেছে গোদি বাবু দেশ বেচবে বলে              উনি             সব বিকিয়ে দেবে এসব শুনে আঙ্গুল গুনে সূর্য মামা বলে কারো কথায় কান দিও না সবাই চোরের দলে               দেখো              অর্থশাস্ত্র খুলে আমি বোকা বৃদ্ধ খোকা অবাক হয়ে ভাবি সত্যি কারা বলছে বোঝার কোথায় পাবো চাবি                দেখি                মিডিয়াটা খুলে অর্ন গোসাই বিদ্যে বোঝাই বোঝায় বড় ভালো গোদি বাবুই সাচ্ছা প্রেমিক আর সকলে কালো                তিনি           ...

শীতলকুচি

আলী হোসেনের কবিতা : শীতলকুচি  বৈশাখ তুমি আবার ফিরে এলে আমের গন্ধে হাওয়ায় দোলা শীষে হঠাৎ মুকুল কুয়াশায় গেল ঢেকে শীতলকুচির দমকা হাওয়া মিশে দমকা হওয়ায় বাজলো বিষের বাঁশি আনন্দ আর নূর আলমের শিবে কালবৈশাখী হঠাৎ খেলো গিলে আঠারোর তেজ জ্বলেই গেল নিভে নিভলো বাতি আঠারোর উল্লাসে রক্ষক যে, ভক্ষক হল সে-ই শীতলকুচির শীতল হওয়ায় ভেসে ভুলিয়ে দিল ক্ষুধার যে জাত নেই বৈশাখ তুমি এ কোন সকাল দিলে রাম-রহিমের বুকের মধ্যে বুনে সৌহার্দ্যের বৃষ্টি ভেজা সিন্ধু শুকিয়ে গেল বিভেদী সুর শুনে যারা, বিভেদী সুর বাজায় নিত্যদিন বৈশাখ তুমি কাল হয়ে তার ঘাড়ে মরন সে বীন বাজিয়ে দিও এসে যেন, রাত পোহালে বিভেদপন্থী হারে           --------////--------- রচনাকাল ঃ ১৫/০৪/২০২১, সকাল ০৮ : ৫৬ 🔳 শিব’ শব্দের বর্ণ অনুসারে ব্যাখা শিবপুরানের একস্থানে দৃষ্ট হয়। শ+ই+ব= শিব। ‘শ’ কার শব্দের অর্থ নিত্য সুখ ও আনন্দ । ‘ই’ কার শব্দের অর্থ পুরুষ এবং ‘ব’ কার শব্দের অর্থ অমৃতশক্তি।

শবের শেষে ফিরুক বরাত

শবেবরাত সবের বরাত আলী হোসেনের ছড়া শবের শেষে ফিরুক বরাত ভুলিয়ে উঁচু-নিচু আজ সারা রাত জাগুক তারা  হাঁটুক পিছু পিছু এ রাত আসুক মুক্তি নিয়ে ভাত-কাপড়ের দিশা জাত-ধর্ম ভুলিয়ে ঘোচাক জাত-বেজাতের নিশা শবেবরাত সবার আসুক হোক তা অনন্তর যার সাথে মিল হয় না মতের কিংবা মনান্তর আজ বাংলার ঘরে ফিরুক  জাগুক শবেবরাত জাত-বেজাতের ভাঙুক বেড়া ফিরুক সবের বরাত মানুষ হয়েও মারছে মানুষ বিভেদ দিবা-রাত শবের শেষে আসুক বরাত বিভেদী নিপাত যাক ---------xx-------- 📒 শবেবরাত শব্দটি ফারসি। শব অর্থ রাত, বরাত অর্থ মুক্তি; শবেবরাত অর্থ মুক্তির রাত। এর আরবি হলো ‘লাইলাতুল বরাত’। হাদিসে শবেবরাতকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়েছে। আমাদের দেশে এ রাতটি শবেবরাত নামে অধিক পরিচিত। পাঠকের মতামত দেখুন ফেসবুকে । ◾ শবের শেষে ফিরুক বরাত 🌙 ◾ আলী হোসেন।  ------------------------------------- শবেবরাত সবের বরাত ভুলিয়ে উঁচু-নিচু আজ সারা রাত জাগুক তারা  হাঁটুক পিছু পিছু এ রাত আসুক মুক্তি নিয়ে ভাত-কাপড়ের দিশা জাত-ধর্ম ভুলিয়ে ঘোচাক জাত-বেজাতের নিশা শবেবরাত সবার আসুক হোক তা অনন্তর যার সাথে মিল হয় ন...

ভাওতাবাজি

ভাওতা বাজি শুনতে রাজি বলবো তবু তাই, এসব আমার নাকের নস্যি কানে শুনতে নাই।😀 এমন মিথ্যা বলি সদাই দোষ ধরে সব হ্যাংলা মিথ্যা দিয়েই ত্রিপুরা দখল এখন বাকি বাংলা। প্রসঙ্গ দেখুন এখানে ক্লিক করে

একুশের মা

একুশের মা - আলী হোসেন একুশ এলে মনটা কাঁদে, শোকে ভাসাই চোখ বাংলায় বলে মনের কথা, ফুটিয়ে তুলি শোক দু'দিন বাদে সব ভুলে যাই, ভেবে ভবির কথা মেয়ে আমার বাংলা লিখে, বাড়ায় বুকের ব্যথা আকাশ হয়ে কাঁদি আমি মেঘের ব্যথায় আর বৃষ্টি করে নামাই তাকে, ভেবে ব্যথার ভার মায়ের ভাষা দুগ্ধ ভাবি, কৌটোয় রেখে মুখ একুশ এলেই উথলে ওঠে, ভড়ং ভরা বুক। মায়ের কথা ভুলছি কেন, একবারও না ভাবি একুশ এলেই মায়া দেখাই, বিবেকে দেই চাবি একুশ গিয়ে বাইশ এলেই বাংলাটা যাই ভুলে মায়ের কথা ভুলেই ভেলা ভাসাই হিন্দি কুলে বৈশাখী মেঘ ভাঙে যেমন বর্ষা দোরে এলে আমার আবেগ উথলে ওঠে একুশ এলে চলে সারা বছর হাই-হ্যালোতে হেলিয়ে দিয়ে মাথা একুশ এলেই মনে পড়ে বাংলা মায়ের কথা হিন্দির স্রোতে ভাসাই ভেলা ইংরেজিতে নোঙর বাঁধি লাটাই ওড়াই বেলুন বেঁধে নিজের কোমর সেই কোমরে পড়বে দড়ি, একবারও না ভাবি ভাবতে হবে বলছে বিবেক একুশের মা’র দাবি --------##-------- পাঠকের মতামত দেখুন ফেসবুকে

পরজীবী কিচ্ছা

সকাল-সন্ধ্যা এক করেছি, ফুটবে মুখে হাসি ছোঁয়ায় আমার সূর্য্য হাসে ঘামের শিশির জমলো ঘাসে সেই শিশিরে ভিজিয়ে ভূমি নাটক করে বেচছো তুমি ঘামের ফসল শুষে নিয়ে, বলছো ভালোবাসি। ন্যায্য দাবি করছি এখন, দেশমাতাকে চুমি আমার ছোঁয়ায় রৌদ্র হেসে আসছে কাছে ভালোবেসে পরজীবী বানিয়ে আমায় সাজালে দেশদ্রোহী-জামায় ভীষণ শীতে জাগছি এখন, রোদ পোয়াচ্ছ তুমি।

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন