সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জোড়া ঢেউ

জোড়া ঢেউ আলী হোসেন  জোড়া ঢেউ - আলী হোসেন   লিখেছেন ছড়াকার আলী হোসেন ভয় পেয়ো না, জাগছে জগৎ বলছে সময় একটু শোনো তোমার সাথে আমার আড়ি, বলছে সময় একটু গোনো। বুকের আগুন নেভার আগে, বুকের প্রদীপ একটু জ্বালো আড়ির কারণ আড়ায় তুলে, ঘরটা গড়ে তোলাই ভালো। এঘর আমার এঘর তোমার, এঘর যদি জ্বালায় কেউ এর কানে ওর বিষের বাঁশি শোনায় যদি বাজিয়ে ফেউ তার বাঁশিতে শান্তি-সেনার, সুর লাগানোর সাহস কেউ আজ দেখতে মুষ্টি ওঠাও, রাম-রহিমের জোড়া ঢেউ। পাঠকের মতামত দেখুন ফেসবুকে

বাচাল বলছি

বাপের আমি বাপ্ কথায় ধরে হাঁফ এমন ছেলের জেরায় পড়লে সাত-খুনী পাবে মাপ কথার পর কথা বলছি যথাতথা সর্ব বিষয়ে বোদ্ধা আমি কেউ খুলো না খাপ একের পর এক বলছি কথা দেখ খই ফুটছে মুখের ওপর কেউ পাবে না মাপ ইচ্ছে হলে পড়বো যেমন খুশি বলবো মুখের ওপর ভয় দেখালে বাড়বে ভীষন চাপ পুলিশ ডেকে ফোনে বলবো প্রাণে মনে দেখবে মজা বকলে বেশি কেউ পাবে না মাপ বই খাতা না খুলে রাখলে তাকে তুলে কেবল তখন মুক্তি পাবে এবং পাবে মাপ ভয় পেলে না বুঝি? তাকাও সোজাসুজি নিচেই আছি সশরীরে এড়ালেই হবে পাপ ============== https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2515398718581772&id=100003350041426

সবুজ রোদের টিয়া

প্রকৃতি-বিষয়ক-ছড়া : ছড়াকার আলী হোসেন  ছোট্টবেলার ছোট্ট কুড়ি, ফুলের মতই ভাসে তার ওপরে একফোঁটা জল মিঠেল রোদে হাসে তাইনা দেখে ছোট্ট টিয়া ভাবছে যাবো উড়াল দিয়া শঙ্খচিলের ডানায় ভেসে সবুজ রোদের পাশে ছোট্ট টিয়া বেড়ায় উড়ি সবুজ রোদের আশায় স্বপ্নের রঙ দেয়না উকি তার সে ছোট্ট বাসায় কী তার কারণ বলা বারন বলছি না তাই আসল কারণ ছোট্ট টিয়ার ভোরের আলোয় আঁধার কেন শাসায় -------x-------- ছড়াটির রাজনৈতিক রূপ দেখুন এখানে

মণিকানা

মণিকানা : লিখেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার আলী হোসেন।  ভর-দুপুরে ছোটকা ছুটে বললো এসে, জানিস পুটে পণ করেছেন পরমহংস মরবে মাথাকূটে। ছোটকা বলে ছোট্ট করে ‘শোন কথা তোর মনটি ভরে পাঁচ শতকের দুঃখ এবার যাবেই বুঝি টুটে’ অবাক চোখে তাকায় পুটে কাক ঘুম তার গেল ছুটে প্রশ্ন করে ছোট্ট মুখেঃ ‘মসজিদ নয় মন্দির হলে দুঃখ মোদের যাবে টুটে? কেমন করে হয়? শুনে তোমার এসব কথা লাগছে আমার প্রাণে ব্যাথা এবং একটু ভয়। মন্দির বা মসজিদ হলে চটকল কি যাবে খুলে কাজ পাবেকি আমার ছোটমামা? ফুটপাতের ঐ ছোট্ট ছেলে শিদ কেটে যে গেল জেলে স্কুলে কি পারবে যেতে পরে রঙিন জামা? ছোটকা ফেলে ছোট্ট শ্বাস পালিয়ে যায় কাটিয়ে পাশ উত্তর এর নেই তো কিছু জানা বুঝতে পারে ছোটকা এবার ভুল ছিল তার ভাবায় সেবার চোখ থাকতে ছিলেন মণিকানা। ------------- ০৭/১০/২০০২ # পরমহংস দাস। ইনি রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে আন্দোলনকারী তপস্বী ছাউনির মহন্ত। রামমন্দিরের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছিলেন।

লঘুগুরু

তুমি বন্ধু কাছের মানুষ, বলতে পারো সবই ইচ্ছা করলে পক্ষে বলো যেমন ইচ্ছে তেমন চলো ইচ্ছা করলে বিপক্ষেও আমার কিন্তু পক্ষে ছাড়া, বলতে নিষেধ সবই তুমি বন্ধু কাছের মানুষ, একটুখানি হেসে দু'হাত তুলে গাইতে পারো দরকারে হাত তুলতে পারো যেমন ইচ্ছা বলতেও পারো আমায় কিন্তু যেতে হবে, শুধুই ভালোবেসে তুমি ভালোবাসতে পারো, তোমার মধ্যে মিশে থাকতে পারি যেমন খুশি বলবে না লাভ-জিহাদ-দূষী আমার মধ্যে তুমি এলেই সমাজ যে যায় রসাতলে, দেশ ভরে যায় বিষে আমার মধ্যে তোমার আসা, তোমার মধ্যে আমি লক্ষ বছর বেঁচে আছি ভ্রমর হয়ে কাছাকাছি বুঝছি না কে তুলে দেওয়াল পর করেছে কেউ জানেনা, জানে শুধু অন্তর্যামী ----------

বন্ধু তুমি

বন্ধু তুমি আলী হোসেনের ছড়া : বন্ধু তুমি আলী হোসেনের ছড়া যখন তোমার জন্য আকাশ হয়ে কষ্টে ভাঙে বুক তুমি বন্ধু সামনে এসো একটুখানি ভালোবেসো নেবো বৃষ্টি-ভেজা সুখ যখন তোমার জন্য বাতাস হয়ে দুঃখে ভাসে বুক বন্ধু তুমি ভাসিয়ে নিয়ো একটুখানি ছুঁয়ে দিয়ো নেবো পাতা-নড়া সুখ তোমার নামে বন্ধু যখন রাত্রি জাগি রোজ দাঁড়িও হয়ে মোমের আলো ঘুচিয়ে দিতে মনের কালো নিয়ো জোসনা হয়ে খোঁজ তোমার নামে বন্ধু যখন স্বপ্ন দেখি রাতে তুমি বন্ধু স্বপ্নে এসো একটুখানি পাশে বোসো হাতটি রেখো হাতে তোমার জন্য বন্ধু যখন চন্দ্র হবো দেখো বন্ধু তুমি রাত্রি জেগে আমার জন্য একটু রেগে অপেক্ষাতে থেকো তোমার জন্য রাত পোহালে রাত্রি সেচে দেখো বন্ধু তোমায় হারিয়ে দিয়ে আঁধার-হারি জীবন নিয়ে  তোমায় দেবো, রেখো।        ----–--------- আজ আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার। বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস। বন্ধুদের জন্য এই বিশেষ দিবসের প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।  ৪ আগস্ট, ২০১৯ পাঠকের প্রতিক্রিয়া : ফেসবুকে দেখুন । পাঠকের প্রতিক্রিয়া : দেখুন এখানেও আজ আগষ্ট মাসের প্রথম রবিবার। বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস। বন্ধুদের জন্য এই বিশেষ দিবসের প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভা...

এই শ্রাবণে। আলী হোসেন

এই শ্রাবণে। ছড়াকার আলী হোসেন: অবশেষে মিষ্টি হেসে বৃষ্টি এলো ঝেঁপে এই শ্রাবণের দিন যাপনে ঘামের সাথে হৃদ কাঁপনে সঙ্গী হয়ে আসলো সে এক ভালোবাসার রাণী সে দেখ আপন ভেবে ভালবেসে হাত ধরেছে চেপে। ফেলছে সে পা গুটিগুটি মরছি ভয়ে ভয়ে ভয় কাটানোর মন্ত্রনাতে দুই হাত তুলি যন্ত্রনাতে কিন্তু ভুলে কুমন্ত্রনাতে জল জমিনের বন্ধুতাতে খুন ঝরাতে সবুজ প্রাণের ছুটছি শয়ে শয়ে। পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন এখানে

ইদের পাখি

ইদের পাখি আলী হোসেন সকাল থেকে ইদের পাখি মেলে তাদের ছোট্ট আঁখি বলছে শোনো ভাই, ওই দেখা যায় ইদের কাস্তে উঠছে জেগে আস্তে আস্তে  খেয়াল তোমার নাই! বলছে ফিঙে কী চাই বলো হাত বাড়িয়ে সঙ্গে চলো ভরিয়ে দেবো মুঠো, বছর ভরের না খাওয়া পেট অভাব-ভারে যার মাথা হেট পেট ভরে খাও দুটো। ইদের পাখি বলছে শোনো সারা বছর কি দিন গোনো কবে খুশির ইদ? সেদিন দুটো খুদ ছড়াবে তাতেই বেহেস্ত নসীব হবে যতোই কাটো সিঁদ? হজ জাকাতের অর্থ আনো নবীজির সেই পথকে মানো দূঃখ করো দূর, শিক্ষা নামের প্রদীপ জ্বালো সবার ভালোয় নিজের ভালো এটাই সেরা সুর। এসুর যদি শুনতে না পাও বৃথাই তুমি হজ করে যাও যাকাত দিলেও জেনো, লোক দেখানো ভড়ং সেটা ভাবছো ধর্ম পালছো যেটা বৃথাই যাচ্ছে মেনো। ভিক্ষা দেওয়ার দীক্ষা ছাড়ো যাকাত ফিতরার ডিঙা বাড়ো আলোয় বাঁধো নাও, ভিক্ষা ভুলে শিক্ষা দেওয়ার দাওয়াত নিয়ে কাছে যাওয়ার  চেষ্টায় নজর দাও। ইদের পাখি বলছে শোনো আলো ছাড়া অন্য কোনো ওড়ার উপায় নাই  উড়তে চাইলে নিজের পাখায় কিংবা চড়তে বৃক্ষ শাখায় আলোর মিনার চাই। -------++------ পাঠকের প্রতিক্রিয়া ২০২৩ দেখুন ফেসবুকে। ক্লিক ক...

দোলের দোলা

দোলের দোলায় দুলছে দোদুল অষ্ট থেকে আশি, ভাবের ভাবনায় ভরুক ভুবন বলুক ভালোবাসি। রঙে রঙে রাঙাই রতন, এসো এ রঙ জমুক মনে, মনের রঙে রাঙাই রাখি, এসো পরাই জনে জনে।

নতুন পথের বাঁকে

নতুন পথের বাঁকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে আলী হোসেনের ছড়া কবিতা  ছড়া কবিতা : নতুন পথের বাঁকে - আলী হোসেন  এ ঠাকুর নয় যে-সে ঠাকুর, রবির সঙ্গে থাকে চলার পথে বলার সাথে সকাল কিংবা সন্ধ্যারাতে তাঁকে নিয়েই আমরা বাঁচি রাম রহিম হয় কাছাকাছি চলতে পথে বলতে কথা নতুন পথের বাঁকে। এ নতুন নয় যে-সে নতুন, কবির কথায় থাকে চলতে পথে চড়তে রথে এগিয়ে যেতে নতুন পথে শেখায় কিংবা শিখতে বলে ভারততীর্থ গড়তে বলে যে তীর্থে থাকতে পারি সঙ্গে রাখলে তাঁকে। --------xx------- রবীন্দ্রনাথ সংক্রান্ত অরও লেখা : 📖 পারের কড়ি   📖 নতুন পথের বাঁকে 👈 আপনি এখন এখানে 📖  বাইশে শ্রাবণ পাঠকের মতামত: দেখুন  ফেসবুকের পাতায় 

আসুক নতুন ভোর

আসুক নতুন ভোর। আলী হোসেনের ছড়া।  চলুক লেখা। বলুক কথা মন যা বলতে চায় মনপবনের দোলায় দুলুক কল্পলোকের নায়। এই নায়েতে ভাসুক ভাবনা উড়ুক নিশান তোর তোর ভাবনায় ভরুক বাতাস আসুক নতুন ভোর ---------x-------- উৎস : এখানে দেখুন

নেতার নেতা

নেতাজিকে নিয়ে আলী হোসেনের ছড়া নেতার নেতা  নেতার নেতা নেজাজি, ফুলের মত নাম দেশের জন্য শপথ নিলে তাঁর জন্য জীবন দিলে নতুন সূর্য দেখবে স্বদেশ স্বদেশ হবে মুক্ত-বিদেশ সেই স্বদেশ-ই বিদেশ হল, বিধি যখন বাম। নেতার নেতা নেতাজি, বজ্রকঠিন নাম এই নামেতেই উঠলো কাঁপন ভাঙলো দেশের নিশিজাপন জাগবে বলে শপথ নিলে বুক চিতিয়ে রক্ত দিলে মূল্য পাবে চাষী চামার, মূল্য তাদের ঘাম। নেতার নেতা নেতাজি, রক্তে ভেজা ঘাম পদ্ম পাতায় জলের মতো জীবন দিলে তোমার মতো কলের শ্রমিক চাষার ছেলেও নেশার মত জেলে গেলেও ভাত জোট না দুবেলা তার, নেতার বাড়ে দাম। এমন দেশ কি চেয়েছিলে, খাটবে যারা খাবে না ফসল ফলায় মাঠে যারা না খেয়ে যায় মারা তারা সোফায় বসে ঘুমায় যারা হয় না কেন তারা সর্বহারা? এ প্রশ্ন কেন বৈধ নয় যে, পালবে যারা পাবে না! উত্তর ছিল তোমার কাছে, নেতার নেতা নেতাজি  সে-সব কথা লাটে তুলে মহাজন সব খাতা খুলে বনিক নিল রাজদণ্ড তোমায় করে শিখন্ড বীর পূজোতে তোমায় পূজে স্বপ্ন দেখায় বাবাজী। -----------xx-----------

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন