সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

লাইন - ২৪ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হাত-মাথার কেচ্ছা

মাথা বলে হাত বড়ো পাজি ছোট লোক তাও হাত বলে আমি ছাড়া তুমি কীভাবে কী খাও? হাত বলে খেতে হয় খেটে খোঁজ রাখো কোন? তুমি শুধু খাও দাও আর কড়ি কাঠ গোনো মাথা বলে বেয়াদব দেখো এত কেন কথা হাত বলে বলি যদি কারণ  বুকে পাবে ব্যথা বল দেখি হতভাগা শুনি কারণ কী তার হাত বলে বলবে কীভাবে মুখ বাঁধা যার আমি খাটি তুমি খাও শুধু জানে বিশ্ববাসি বললে সে কথা মুখে তুমি দিয়ে দাও ফাঁসি কথা তাই বাঁধা থাক বুকে আজ শুধু গাই হাতে হাত রেখে বাঁধি সারি মাথা হতে চাই ------##------- ফেসবুকে দেখুন এখানে ক্লিক করে 

চোখ-কান-মন শোনে তিনজন

চোখ-কান-মন শোনে তিনজন : জনপ্রিয় ছড়াকার আলী হোসেনের একটি জনপ্রিয় ছড়া।  দেখছো তুমি, দেখছি আমি, দেখছি সকল সময় দেখছে সবাই, যা হয় তা-ই কেবল, আমিই দেখছি নাই কারণ কী তা খুঁজতে গিয়ে হোঁচট শুধুই খাই কী তার কারণ, অবশেষে বললে খাদেম ভাই চোখের সাথে কান ছিল না সঙ্গে ভোলা মন ছিল না চোখ-কান-মন দেখে তিন-জন মানছি না সব-সময়। শুনছো তুমি, শুনছি আমি,  শুনতে কান তো চাই-ই আমার সাথে শোনে খাদেম সঙ্গে শোনায় ন-ভাই হাতেম সে গজল মাঝে গাইলো খেয়াল খেয়াল করি নাই কারণ কী তা খুঁজতে গিয়ে আবার হোঁচট খাই কী তার কারণ, নেই যে বারণ খাদেম শোনায় গহীন কারণ চোখ-কান-মন শোনে তিন-জন, মোটেও মানো নাই। চোখ ছিল ঠিক, কান ছিল তাও, তবুও বুঝি নাই বোঝার জন্য মন দিয়েছি সঙ্গে শোনার ভান করেছি সবাই বুঝলো, মেঘ করলেও বৃষ্টি কেন নাই আমি কেন বুঝতে  কেবল শুধুই হোঁচট খাই খাদেম বলে শুনতে চাও মনের সাথে কানকে নাও চোখ-কান-মন বোঝে তিনজন, মোটেও ভুলতে নাই। ---------x---------- 📖 এবিষয়ে আরও পড়ুন : চোখ কান মন দেখে তিনজন পাঠকের প্রতিক্রিয়া ফেসবুকে দেখুন 👉👉দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার আলী হোসেনের আরও ছড়া পড়ার জন্য নিচের লিঙ্কে ক্ল...

চোরকে মোটেই চোর বলতে নাই

হলে, মরণকালে বুদ্ধিনাশ ধানকে বলে দুব্ব ঘাস ভাবছেন                  পটলা কিছুই বোঝে না চোর ধরতে সান্ত্রি এলো কাকের ধন বগায় খেলো ভাবছেন                  পটলা কিছুই জানে না এলো, চোর ধরতে চৌকিদার চোরের মালা গলায় তার ভাবছেন               পটলা কিছুই দেখছে না হঠাৎ পটলা তুললো হাই বলে,এক রত্তি মিথ্যা নাই ভাবুন                সত্যিই কিছু দেখছি না চৌকিদারের চটির তলায় চোরে যদি গলা গলায়  শুনুন              বলছি কিছু সত্যি ভাই সে ধানকে ঘাস বলতে পারে চাইলে পকেট কাটতে পারে চোরকে                 তবু চোর বলতে নাই              -----//-------

না খাওয়ার গান

না খাওয়ার গান আলী হোসেন করোনার কারণে খেলাধুলা মাটি বসে বসে ঘরে সারাদিন ধরে খাচ্ছি-দাচ্ছি আর খুনসুটি খাঁটি ফুল-পাখি চুপচাপ শূন্যতার সাজ ভাবি জানলায় বসে নিরালায় বস্তির শিশুটিরও নেই বুঝি কাজ খেলার সময় তার অনেকটাই আছে খেলতে সে চায় অথবা সে যায় ছুটে গিয়ে শুনি গান পাখিটির কাছে হঠাৎ মোচড় দিয়ে পেট গান গায় জানালায় বসে খোকা ডাকে হেসে শুনবি কি গান তবে এইখানে আয় তোর আজ ছুটি আমারও তো তাই নেই কোনো কাজ শোন বলি আজ গিটারে গাইবো গান তোর শোনা চাই বস্তির শিশুটি বলে নিয়ে অভিমান এইদিকে চাও শুনতে কি পাও পেটের সেতারে বাজে না খাওয়ার গান? ----------/---------

ভালোবাসার রোদ

ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে - প্রেমের ছড়া। লিখেছেন - ছড়াকার আলী হোসেন।  ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে রক্ত চোখের বনে সেই ঝড়, যা জ্বালবে আলো অন্ধ মনের কোণে ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে অন্ধ মনের দ্বারে সেই ঝড়, যা ভাঙবে বেড়া ভেদ-ভাবনায় বাড়ে ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে রৌদ্র-ভেজা দোরে সেই ঝড়, যা ভাঙবে আঁধার নতুন দিনের ভোরে ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক বলে করোনা এলো দিলে টিকি টুপির বাসভূমি তাই শূন্যতা নিলো গিলে। টিকি-টুপির বিভেদ মেলায় কোভিড করে রাজ কাক-পক্ষীর নেই দেখা তাই শূন্য বুকের মাঝ। শূন্যতার এই নিশূত বেলায় চাতক চেয়ে বলে ভালোবাসার রোদ পোহালে শঙ্কা যাবে চলে। দেখুন ফেসবুকে এখানে ক্লিক করুন 

শরৎ গাথা

শরৎগাথা: ছড়াকার আলী হোসেনের ছড়া, দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়া  ্র আকাশ কালো মেঘের ভেলা সকাল কিম্বা সন্ধ্যাবেলা চলছে দেখ বকের পাখায় ভেসে, দিচ্ছে পাড়ি               এদেশ ছাড়ি অচিন দেশে মামার বাড়ি যেই-খানেতে, আকাশ মাটি মেশে। আকাশ মাটির মনের কথা জল করেছে বুকের ব্যথা মুখের কালো দূর করেছে বেশ, ভাদ্র এসে                 ভদ্র বেশে আশ্বিন তার সঙ্গে মেশে শিউলি-কাশে ভরিয়ে দিল দেশ। শরৎ এলো হাওয়ায় ভেসে শিশির তারই সঙ্গে মেশে ঘাসের ডগায় রুপোর নাকের ফুল শরৎ আনে                    নতুন মানে দোয়েল শ্যামার নতুন গানে বাবুই বোনে নতুন কানের দুল কমতে থাকা বিলের জলে ডাকপাখিরা হেঁটে চলে পানকৌড়ি ডুবমারে মাছ ধরতে, এমন মাসে                 দুর্গা আসে লক্ষ্য ...

কুরবানি

আমার মধ্যে যে জন আছে ঘাপটি মেরে বসে আলোর মধ্যে আঁধার রেখে তাকেই পালি সময় দেখে কুরবানি কি করছি তাকে ভেবে নিজের দোষ এ আমার মধ্যে যেজন আছে জিভটি করে লাল সেজন কি আজ লজ্জা পেয়ে মন যমুনায় সাঁতরে যেয়ে লোভের নোঙ্গর খুলে দিলো উড়িয়ে দিতে পাল আমার মধ্যে যেজন আছে চোখটি করে ‘বড়’ সেজন কি আজ উড়িয়ে ধুলো মনের যত ময়লাগুলো কুরবানি কি দিতে তাকে করলো সেসব জড়ো আমার মধ্যে যেজন আছেন দম্ভ-রঙে রেঙে তার কাছে কি আজকে এসে একটুখানি ভালোবেসে কুরবানি কি দিচ্ছি তাকে দম্ভ-দেওয়াল ভেঙে আমার মধ্যে আছেন যিনি টাটায় ভীষণ চোখ তার কানে কি বলছে বাতাস জাত না দেখে বন্ধু পাতাস কুরবানি দাও বলছে কি সে ভুলে বিভেদ শোক এরাই যদি আমার প্রিয় প্রেমের চেয়ে দম্ভ বড় তবে আমার বৃথাই বড়াই অর্থ দিয়ে দম্ভ ছড়াই কুরবানিতে করছি আমি সোনার-পাথর-বাটি জড়                 –---------/--------- পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন এখানে । কুরবানি কুরবানি শব্দটি আরবি কারনুন মূলধাতু হতে এসেছে। এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে : নিকটবর্তী হওয়া। ইমাম রাগিব বলেন- “যে বস্তু দ্বারা ...

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন