সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

পেটের পাঁচালি

পেটের পাঁচালি আলী হোসেন মন ভালো নেই, নেই ভালো কেউ যেমন ছিলাম আগে, এমন ভাবে ভাবতে এখন ভীষণ একা লাগে। আমের চেয়ে কাঠাল ভালো স্বাদে দারুণ মিষ্টি, মন ভরে যেই খেলাম অনেক পেট বলে অনাসৃষ্টি। মনের টানে টান পড়েছে পেট বলে আর না, চোখের খিদেয় স্বাদ মেটেনা পেট বলে তার না। দাদার চেয়ে দিদি ভালো মন বলেছে ভাই, দিদির কোলে বিষম খেয়ে গান ধরেছি তাই। মনের সাথে মন মেলে না পেটের কথা বাদ, দিদির কোলে দু-হাত তুলে প্রাণ ভরে তাই কাঁদ। ------xx----- প্রথম প্রকাশ ফেসবুক দেখুন

একুশ আমার - আলী হোসেন

একুশ আমার আলী হোসেন একুশ আমার - আলী হোসেন  একুশ আমার একুশ তোমার  একুশ বাঙালির, একুশ আমায় কাঁদায় হাসায়  একুশ কাঙালির। একুশ আমার ভালোবাসার মায়ের বুকের দুধ, একুশ আমার জীবন-মাসের সোম-মঙ্গল-বুধ...। একুশ আমার স্বপ্ন দেখায়  একুশ আমার সুখ, একুশ শেখায় তুলতে মাথা জুড়তে ভাঙা-বুক। একুশ আমার জন্য আনে ভালোবাসার ফুল, একুশ আমার জন্য কাঁদে একুশ ভাঙায় ভুল। একুশ আমার পিঠে-পুলি পান্তা ভাতে নুন, একুশ আমার আপন যেন মায়ের পেটের বুন। একুশ আমার বেড়ে ওঠার মন্ত্রণাতে ভরা, একুশ আমার খুনসুটিতে সন্ধ্যারাতের তারা। একুশ তোমার জন্য কথা বলি রাষ্ট্রসংঘে,  একুশ আমার মাকে চেনায় বিশ্ববাসীর সংগে। ----------xx--------- প্রথম প্রকাশ : ছড়াপত্রিকা/১৩০ পাতা, ষোড়শ সংখ্যা, ফেব্রুয়ারি ২০১২, বাংলাদেশ প্রকাশক, মাহবুবুল হাসান পাঠকের মতামত  দেখুন ফেসবুকে

স্বাধীনতা তুমি কার?

স্বাধীনতা তুমি কার আলী হোসেন স্বাধীনতা তুমি কার ক্ষুধার খাঁচায় ভাবছি বসে স্বাধীনতা তুমি কার আজকের সিধু কানুও ভাবছে উত্তর মেলা ভার! কলিজা ছিঁড়ে রক্ত ধারার বহিয়েছে যে গঙ্গা নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে হারিয়েছে সে সংজ্ঞা সেই রক্ত-গাঙের শুভ্রধারায় সোনার তরী বেয়ে আসলো সে এক স্বাধীনতা যেন আপন ঘরের মেয়ে বিন্দু বিন্দু রক্তে যাঁরা ভরেছে বিষাদ সিন্ধু নয় তো তাঁরা একটি জাতি মুসলিম বা সে হিন্দু ক্ষুদে যতীন শহীদ হল হল শহীদ সে প্রফুল্ল অস্ফাকুল্লার মায়ের দুঃখে হলাম যে উৎফুল্ল স্বাধীনতা তুমি করেছ স্বাধীন দিয়েছো কি সেই মুক্তি আমিই আমার শাসক বানাই এই কি তোমার যুক্তি? স্বধীনতা তুমি করেছ স্বাধীন মুক্ত করেছ বন্ধন! তবু কি থেমেছে মানুষের আজ অনাহারে ক্রন্দন তুমি কি দিয়েছ নিঃস্ব ছেলের মুখে একমুঠো ভাত পেরেছো ঘোঁচাতে বৈষম্যের নিঝুম নিশুতি রাত দেশনেতা যেন বেশনেতা আজ লোক ঠকিয়ে চলে লাখো সন্তান পিষে যায় তার নিষ্ঠুর যাঁতাকলে রক্ত নিয়েছো করে প্রতিজ্ঞা দেবে বলে স্বাধীনতা তবু, এত বছরেও আহত কেন মানুষের মানবতা? --------//------- পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন ফেসবুকে মূল ছড়াটি দেখুন এখানে ক্লিক করে  ১০/০৫/১৯৮৭ চড়ুইগাছি, গাইঘা...

চন্দ্রাভিযান

চন্দ্রাভিযান আলী হোসেন বিজ্ঞান মেলা পত্রিকার প্রচ্ছদ স্কুলে যাও খোকন সোনা মা বললেন হেসে, বড় হলে তোমায় নিয়ে যাব চাঁদের দেশে। দুষ্ট ছেলে মিচকি হেসে বললো, না-না-না আর্মস্ট্রোং গেছেন সেথায় সেথায় যাব না। মায়ের প্রশ্ন অবাক হয়ে এবং একটূ হেসে আর্মস্ট্রোং গেছেন বুঝি ও-ওই চাঁদের দেশে! এখান থেকে অত দূরে হয় কখনও তা? সত্যি করে বল-না খোকা বকিস নি যা-তা দুষ্টু ছেলে মিষ্টি হেসে বললো শোন গল্প বেতারেতে শুনেছি আমি মনেও আছে অল্প। দিনটি ছিল একুশে জুলাই ষাট দশকের শেষ ‘ঈগল’ সাথে এপোলো এগারো ছাড়লো মাটির দেশ। মরুৎ সাগর উল্কাপিণ্ড সব পিছনে ফেলে ‘এপোলো এগারো’ ‘মুক্তি বেগে’ গেলো শুন্যে চলে। তিন আমেরিকান আছেন বসে ছোট্ট ফেরিযানে, একটি করে ওয়ার্লেস তাদের লাগানো আছে কানে। আর্মষ্ট্রং আছেন, কলিন্স আছেন আছেন অলড্রিন। হৃদয় তাদের কাঁপলো নাতো নয়-কো তারা ক্ষীণ। দীর্ঘ পথের সীমা পেলো পৌছে চাঁদের আকাশ, সেথায় জেনো নেই তো কোনো জীবনদায়ী বাতাস। অবশেষে চাঁদের দেশে নামলো ওরা তিন যন্ত্র ‘ঈগল’, আর্মষ্ট্রং সহচর অলড্রিন। এই বিশ্বের আর্মষ্ট্রং চাঁদে দিলেন পা, শুনে মানুষ অবাক হলেন দেখে হলেন হাঁ। চাঁদের আকাশ মেঘশূন্য হয় না সেথা বৃষ্টি, ভাব...

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন