সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আমি দামি

মাথা বলে আমি দামি, হাত বলে আমি তাই দেখে পা'য়ে বলে তেল ছাড়া গাড়ি চলে? আমি ছাড়া তোমরা যে পাখা ছাড়া ভোমরা সে তোদের আমি বই বলে নই বুঝি দামি? আমি মনে মানি তাই তোরা হলি রাজা দুই বেলা খেটে যাই ঘাড়ে বসে খাস তাই ভুলে গিয়ে সেই কথা যদি দিস প্রাণে ব্যাথা বসে যাবো হাটু মুড়ে হয়ে যাবি বাঁজা।

না খাওয়ার গান

না খাওয়ার গান আলী হোসেন করোনার কারণে খেলাধুলা মাটি বসে বসে ঘরে সারাদিন ধরে খাচ্ছি-দাচ্ছি আর খুনসুটি খাঁটি ফুল-পাখি চুপচাপ শূন্যতার সাজ ভাবি জানলায় বসে নিরালায় বস্তির শিশুটিরও নেই বুঝি কাজ খেলার সময় তার অনেকটাই আছে খেলতে সে চায় অথবা সে যায় ছুটে গিয়ে শুনি গান পাখিটির কাছে হঠাৎ মোচড় দিয়ে পেট গান গায় জানালায় বসে খোকা ডাকে হেসে শুনবি কি গান তবে এইখানে আয় তোর আজ ছুটি আমারও তো তাই নেই কোনো কাজ শোন বলি আজ গিটারে গাইবো গান তোর শোনা চাই বস্তির শিশুটি বলে নিয়ে অভিমান এইদিকে চাও শুনতে কি পাও পেটের সেতারে বাজে না খাওয়ার গান? ----------/---------

ভালোবাসার রোদ

ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে - প্রেমের ছড়া। লিখেছেন - ছড়াকার আলী হোসেন।  ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে রক্ত চোখের বনে সেই ঝড়, যা জ্বালবে আলো অন্ধ মনের কোণে ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে অন্ধ মনের দ্বারে সেই ঝড়, যা ভাঙবে বেড়া ভেদ-ভাবনায় বাড়ে ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক তবে রৌদ্র-ভেজা দোরে সেই ঝড়, যা ভাঙবে আঁধার নতুন দিনের ভোরে ঝড় উঠুক ঝড় উঠুক বলে করোনা এলো দিলে টিকি টুপির বাসভূমি তাই শূন্যতা নিলো গিলে। টিকি-টুপির বিভেদ মেলায় কোভিড করে রাজ কাক-পক্ষীর নেই দেখা তাই শূন্য বুকের মাঝ। শূন্যতার এই নিশূত বেলায় চাতক চেয়ে বলে ভালোবাসার রোদ পোহালে শঙ্কা যাবে চলে। দেখুন ফেসবুকে এখানে ক্লিক করুন 

নতুন বছর

আজ, নতুন বছর তোমার জন্য হাঁটছি একা একা ভয়ের কাছে জীবন বাজি রাখছি দেখে নতুন পাঁজি লড়ছি সবাই একলা বসে লিপিড লেয়ার পড়বে খসে কাল, করোনার ভয় কাটিয়ে তুমি দেবেই দেবে দেখা। নতুন বছর নতুন আশা, মনের আকাশ জুড়ে ঘন মেঘের আড়াল থেকে নতুন আলো পড়ুক ঝেঁকে সেই আলোতে নাচুক রাধা করোনার চোখ পড়ুক বাঁধা নতুন আলোয় মুক্তি আসুক কৃষ্ণপ্রেমে মুড়ে। উৎস : ফেসবুক

দেশ গড়া

ভাবতে থাকুন এবং আসুন সঙ্গে থাকুন সাথি পরস্পরের হাত বাড়িয়েই দেশ গড়াতে মাতি। উৎস

পীরের পীড়া

পীরকে আমরা মানবো কেন পীড়ার কারণ হলে যার সাহায্য নিচ্ছেন তিনি তার বিরুদ্ধেই বোঝান যিনি এমন হলে বলবে সবাই মানবো কেন দোয়া-দাওয়াই যখন, নিজের প্রয়োজনে পড়েন বিজ্ঞানেতে ঢলে উৎস আপনি কি অবাক হচ্ছেন লেখাটা পড়ে? অথবা রেগে যাচ্ছেন? যাই করুন, সঙ্গে একটু ভাবুন। বিশেষ করে, আপনি যদি শিক্ষিত মুসলিম ছাত্র-যুব হন। ভাবুন, আমরা যাদেরকে সমাজের, বিশেষ করে ধর্মীয় জীবনের পরিচালক ও পরামর্শদাতা করে রেখেছি, তারা কি আমাদের সঠিক পথ দেখাচ্ছেন? যদি না দেখান তবে তাদের আমরা মানব কেন? ভাবার সময় এসেছে। অনুগ্রহ করে ভাবুন। একবার নিচের ভিডিওটি দেখুন । এরা কারা? শিক্ষাদীক্ষাহীন অসহায় গরিব বা নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ। বিপদে পড়লে, যারা হাতের কাছে পান সেই মানুষকে, যিনি নিজেকে প্রকৃত ধার্মিক ও আল্লাওয়ালা বলে দাবি করেন। তাই তার কাছেই ছুটে যান পরামর্শ নিতে। এই বিপদে তাদের কি করা উচিত তা জানতে। কিন্তু দুঃখের হলেও এটা জলের মত পরিষ্কার যে, এই অসহায়তার সুযোগ নেন কিছু বকধার্মিক। এখানে পীর হচ্ছেন তিনিই। তিনি (পীর) রোগাক্রান্ত হলেই ভক্তের কষ্টার্জিত পয়সায় (নজরানা) চলে যান বড় বড় ডাক্তারের কাছে। আর একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ যখন কোনো উপ...

স্বপ্নের রঙ

স্বপ্নের রঙ আলী হোসেনের ছড়া ছোট্টবেলার ছোট্ট কুড়ি, ফুলের মেলায় ভাসে তার ওপরে একফোঁটা জল মিঠেল রোদে হাসে তাইনা দেখে ছোট্ট টিয়া ভাবছে যাবো উড়াল দিয়া সবুজপাতার ডানায় ভেসে সবুজ রোদের পাশে ছোট্ট টিয়া বেড়ায় উড়ে মিঠেল রোদের আশায় স্বপ্নের রঙ দেয়না উঁকি তার সে ছোট্ট বাসায় কী তার কারণ বলাই বারণ বলছি না তার সহজ কারণ ছোট্ট টিয়ার ভোরের আলোয় আঁধার কেন শাসায় আঁধার শাসায় তার সে বাসায় বটের বিভেদবানী আকাশের রঙ হচ্ছে কালো তার সে চক্রে জানি সেই আকাশেই চলার কারণ আলোর কথা বলাই বারণ  ছোট্ট টিয়ার সামনেতে তাই আঁধারের হাতছানি। আঁধার বেয়ে কিংবা ভেঙে আলোয় ফেরার চেষ্টা  সফল করার সানাই বাজায় টিয়ার দলের কেষ্টা বটের সাথে দোস্তি তার  স্বপ্ন ভাঙ্গায় স্বস্তি যার স্বপ্নের রঙ তার তুলিতেই ফ্যাকাশে হয় শেষটা। -----------xx----------- এই ছড়াটির প্রাকৃতিক রূপ দেখুন :

জোড়া ঢেউ

জোড়া ঢেউ আলী হোসেন  জোড়া ঢেউ - আলী হোসেন   লিখেছেন ছড়াকার আলী হোসেন ভয় পেয়ো না, জাগছে জগৎ বলছে সময় একটু শোনো তোমার সাথে আমার আড়ি, বলছে সময় একটু গোনো। বুকের আগুন নেভার আগে, বুকের প্রদীপ একটু জ্বালো আড়ির কারণ আড়ায় তুলে, ঘরটা গড়ে তোলাই ভালো। এঘর আমার এঘর তোমার, এঘর যদি জ্বালায় কেউ এর কানে ওর বিষের বাঁশি শোনায় যদি বাজিয়ে ফেউ তার বাঁশিতে শান্তি-সেনার, সুর লাগানোর সাহস কেউ আজ দেখতে মুষ্টি ওঠাও, রাম-রহিমের জোড়া ঢেউ। পাঠকের মতামত দেখুন ফেসবুকে

বাচাল বলছি

বাপের আমি বাপ্ কথায় ধরে হাঁফ এমন ছেলের জেরায় পড়লে সাত-খুনী পাবে মাপ কথার পর কথা বলছি যথাতথা সর্ব বিষয়ে বোদ্ধা আমি কেউ খুলো না খাপ একের পর এক বলছি কথা দেখ খই ফুটছে মুখের ওপর কেউ পাবে না মাপ ইচ্ছে হলে পড়বো যেমন খুশি বলবো মুখের ওপর ভয় দেখালে বাড়বে ভীষন চাপ পুলিশ ডেকে ফোনে বলবো প্রাণে মনে দেখবে মজা বকলে বেশি কেউ পাবে না মাপ বই খাতা না খুলে রাখলে তাকে তুলে কেবল তখন মুক্তি পাবে এবং পাবে মাপ ভয় পেলে না বুঝি? তাকাও সোজাসুজি নিচেই আছি সশরীরে এড়ালেই হবে পাপ ============== https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2515398718581772&id=100003350041426

সবুজ রোদের টিয়া

প্রকৃতি-বিষয়ক-ছড়া : ছড়াকার আলী হোসেন  ছোট্টবেলার ছোট্ট কুড়ি, ফুলের মতই ভাসে তার ওপরে একফোঁটা জল মিঠেল রোদে হাসে তাইনা দেখে ছোট্ট টিয়া ভাবছে যাবো উড়াল দিয়া শঙ্খচিলের ডানায় ভেসে সবুজ রোদের পাশে ছোট্ট টিয়া বেড়ায় উড়ি সবুজ রোদের আশায় স্বপ্নের রঙ দেয়না উকি তার সে ছোট্ট বাসায় কী তার কারণ বলা বারন বলছি না তাই আসল কারণ ছোট্ট টিয়ার ভোরের আলোয় আঁধার কেন শাসায় -------x-------- ছড়াটির রাজনৈতিক রূপ দেখুন এখানে

মণিকানা

মণিকানা : লিখেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার আলী হোসেন।  ভর-দুপুরে ছোটকা ছুটে বললো এসে, জানিস পুটে পণ করেছেন পরমহংস মরবে মাথাকূটে। ছোটকা বলে ছোট্ট করে ‘শোন কথা তোর মনটি ভরে পাঁচ শতকের দুঃখ এবার যাবেই বুঝি টুটে’ অবাক চোখে তাকায় পুটে কাক ঘুম তার গেল ছুটে প্রশ্ন করে ছোট্ট মুখেঃ ‘মসজিদ নয় মন্দির হলে দুঃখ মোদের যাবে টুটে? কেমন করে হয়? শুনে তোমার এসব কথা লাগছে আমার প্রাণে ব্যাথা এবং একটু ভয়। মন্দির বা মসজিদ হলে চটকল কি যাবে খুলে কাজ পাবেকি আমার ছোটমামা? ফুটপাতের ঐ ছোট্ট ছেলে শিদ কেটে যে গেল জেলে স্কুলে কি পারবে যেতে পরে রঙিন জামা? ছোটকা ফেলে ছোট্ট শ্বাস পালিয়ে যায় কাটিয়ে পাশ উত্তর এর নেই তো কিছু জানা বুঝতে পারে ছোটকা এবার ভুল ছিল তার ভাবায় সেবার চোখ থাকতে ছিলেন মণিকানা। ------------- ০৭/১০/২০০২ # পরমহংস দাস। ইনি রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে আন্দোলনকারী তপস্বী ছাউনির মহন্ত। রামমন্দিরের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছিলেন।

লঘুগুরু

তুমি বন্ধু কাছের মানুষ, বলতে পারো সবই ইচ্ছা করলে পক্ষে বলো যেমন ইচ্ছে তেমন চলো ইচ্ছা করলে বিপক্ষেও আমার কিন্তু পক্ষে ছাড়া, বলতে নিষেধ সবই তুমি বন্ধু কাছের মানুষ, একটুখানি হেসে দু'হাত তুলে গাইতে পারো দরকারে হাত তুলতে পারো যেমন ইচ্ছা বলতেও পারো আমায় কিন্তু যেতে হবে, শুধুই ভালোবেসে তুমি ভালোবাসতে পারো, তোমার মধ্যে মিশে থাকতে পারি যেমন খুশি বলবে না লাভ-জিহাদ-দূষী আমার মধ্যে তুমি এলেই সমাজ যে যায় রসাতলে, দেশ ভরে যায় বিষে আমার মধ্যে তোমার আসা, তোমার মধ্যে আমি লক্ষ বছর বেঁচে আছি ভ্রমর হয়ে কাছাকাছি বুঝছি না কে তুলে দেওয়াল পর করেছে কেউ জানেনা, জানে শুধু অন্তর্যামী ----------

বন্ধু তুমি

বন্ধু তুমি আলী হোসেনের ছড়া : বন্ধু তুমি আলী হোসেনের ছড়া যখন তোমার জন্য আকাশ হয়ে কষ্টে ভাঙে বুক তুমি বন্ধু সামনে এসো একটুখানি ভালোবেসো নেবো বৃষ্টি-ভেজা সুখ যখন তোমার জন্য বাতাস হয়ে দুঃখে ভাসে বুক বন্ধু তুমি ভাসিয়ে নিয়ো একটুখানি ছুঁয়ে দিয়ো নেবো পাতা-নড়া সুখ তোমার নামে বন্ধু যখন রাত্রি জাগি রোজ দাঁড়িও হয়ে মোমের আলো ঘুচিয়ে দিতে মনের কালো নিয়ো জোসনা হয়ে খোঁজ তোমার নামে বন্ধু যখন স্বপ্ন দেখি রাতে তুমি বন্ধু স্বপ্নে এসো একটুখানি পাশে বোসো হাতটি রেখো হাতে তোমার জন্য বন্ধু যখন চন্দ্র হবো দেখো বন্ধু তুমি রাত্রি জেগে আমার জন্য একটু রেগে অপেক্ষাতে থেকো তোমার জন্য রাত পোহালে রাত্রি সেচে দেখো বন্ধু তোমায় হারিয়ে দিয়ে আঁধার-হারি জীবন নিয়ে  তোমায় দেবো, রেখো।        ----–--------- আজ আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার। বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস। বন্ধুদের জন্য এই বিশেষ দিবসের প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।  ৪ আগস্ট, ২০১৯ পাঠকের প্রতিক্রিয়া : ফেসবুকে দেখুন । পাঠকের প্রতিক্রিয়া : দেখুন এখানেও আজ আগষ্ট মাসের প্রথম রবিবার। বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস। বন্ধুদের জন্য এই বিশেষ দিবসের প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভা...

এই শ্রাবণে। আলী হোসেন

এই শ্রাবণে। ছড়াকার আলী হোসেন: অবশেষে মিষ্টি হেসে বৃষ্টি এলো ঝেঁপে এই শ্রাবণের দিন যাপনে ঘামের সাথে হৃদ কাঁপনে সঙ্গী হয়ে আসলো সে এক ভালোবাসার রাণী সে দেখ আপন ভেবে ভালবেসে হাত ধরেছে চেপে। ফেলছে সে পা গুটিগুটি মরছি ভয়ে ভয়ে ভয় কাটানোর মন্ত্রনাতে দুই হাত তুলি যন্ত্রনাতে কিন্তু ভুলে কুমন্ত্রনাতে জল জমিনের বন্ধুতাতে খুন ঝরাতে সবুজ প্রাণের ছুটছি শয়ে শয়ে। পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন এখানে

ইদের পাখি

ইদের পাখি আলী হোসেন সকাল থেকে ইদের পাখি মেলে তাদের ছোট্ট আঁখি বলছে শোনো ভাই, ওই দেখা যায় ইদের কাস্তে উঠছে জেগে আস্তে আস্তে  খেয়াল তোমার নাই! বলছে ফিঙে কী চাই বলো হাত বাড়িয়ে সঙ্গে চলো ভরিয়ে দেবো মুঠো, বছর ভরের না খাওয়া পেট অভাব-ভারে যার মাথা হেট পেট ভরে খাও দুটো। ইদের পাখি বলছে শোনো সারা বছর কি দিন গোনো কবে খুশির ইদ? সেদিন দুটো খুদ ছড়াবে তাতেই বেহেস্ত নসীব হবে যতোই কাটো সিঁদ? হজ জাকাতের অর্থ আনো নবীজির সেই পথকে মানো দূঃখ করো দূর, শিক্ষা নামের প্রদীপ জ্বালো সবার ভালোয় নিজের ভালো এটাই সেরা সুর। এসুর যদি শুনতে না পাও বৃথাই তুমি হজ করে যাও যাকাত দিলেও জেনো, লোক দেখানো ভড়ং সেটা ভাবছো ধর্ম পালছো যেটা বৃথাই যাচ্ছে মেনো। ভিক্ষা দেওয়ার দীক্ষা ছাড়ো যাকাত ফিতরার ডিঙা বাড়ো আলোয় বাঁধো নাও, ভিক্ষা ভুলে শিক্ষা দেওয়ার দাওয়াত নিয়ে কাছে যাওয়ার  চেষ্টায় নজর দাও। ইদের পাখি বলছে শোনো আলো ছাড়া অন্য কোনো ওড়ার উপায় নাই  উড়তে চাইলে নিজের পাখায় কিংবা চড়তে বৃক্ষ শাখায় আলোর মিনার চাই। -------++------ পাঠকের প্রতিক্রিয়া ২০২৩ দেখুন ফেসবুকে। ক্লিক ক...

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন