সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই

হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই! এর ভেতরে সত্য নেই  হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই! এটাও ভাবার যুক্তি নেই  ধর্ম বেচে খাচ্ছে যারা, এসব কথা শেখায় তারা এর ভেতরের গহীন মানে সে-সব শুধু তারাই জানে এবং বোঝে এবং মানে, যার মাথাতে গোবর নেই, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই! এর চেয়ে বড় মিথ্যে নেই। রাজায় রাজায় দোস্তি করে, উলু খাগড়ায় কুস্তি লড়ে রাজা এটা ভালই জানে, তারা নিজের সাথে নিজে লড়ে মুচকি হেসে মুখটা খুলে চায়ের কাপে ধোঁয়া তুলে বোঝায় কাকে শত্রু ব’লে ধর্ম রক্ষার নানান ছলে গুলিয়ে দিয়ে শত্রু কারা, তোমার বুকেই ত্রিশূল ছোড়ে নিজের জীবন বাজি রেখে, তুমি সাজো রাজার বোড়ে ---------xx--------- পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন এখানে

লজ্জা তোমার নাই

লজ্জা তোমার নাই আলী হোসেন শিক্ষা নিয়ে খেলছো খেলা, লজ্জা তোমার নাই শিক্ষাগুরুর মাথায় মারো থানায় তাদের ডাকতে পারো; আমরাও পারি উল্টো রথে চলতে বসতে শক্ত পথে করছি দাবি সসম্মানে, তাদের পুনর্বহাল চাই। করছে দাবি মুষ্টি তুলে, ঝুলবে কেন তোমার শূলে সর্বহারার সকল শিশু শিক্ষা হারা দীনের যীশু; দুর্নীতিতে ডুবিয়ে দুহাত দিনকে যারা বানালো রাত চাইছে তাদের কঠিন সাজা, কঠিন মুঠি তুলে। ----------xx--------

ভক্তির শক্তি

 ভক্তির শক্তি আলী হোসেন ভক্তির শক্তি ভক্তের নয়, সেটা গুরুর হাতেই ন্যস্ত ভক্তের মাথায় কাঁঠাল রেখে, খেতে থাকেন ব্যস্ত। -----------xx----------- পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন ফেসবুকে

প্রেম

প্রেম আলী হোসেনের প্রেমের ছড়া তুমি গাইবে বিভেদ গীতি, আমি গাইব প্রেম তুমি যতই বিষ ছড়াবে, আমি বলব শেম তুমি যতই ভয় দেখাবে, আমি গাইব গান তুমি যতই আঁড় চোখে চাও আমি 

হিমুর সহজপাঠ

হিমুর সহজপাঠ আলী হোসেনের ছড়া : হিমুর সহজপাঠ  অ  অমল বানায় নতুন বাড়ি, আজিজ গাঁথে ইট সেই বাড়িতে কে উঁকি দেয়, সুতোয় দিতে গিঁট আ  আকাশ বলে হেসে হেসে, শোনরে বোকা আলী মশলায় রাজা মেশায় জানিস দ্বেষ মেশানো বালি ই ইদের সিমাই যখন নিমাই মনের সুখে খায় বুক ভরে যায় কাসেম শেখের রাজায় আঁড়ে চায় ঈ ঈশ্বর হাসে এসব দেখে মানুষ বেজায় বোকা বোঝে না সে আমার নামে শয়তানে দেয় ধোঁকা উ উড়ে এসে বিভেদ বাড়ায় সব শোষকের ভাই মানুষ কবে বুঝবি তোদের পৃথক করি নাই ঊ ঊনিশ বিশে ধানের শীষে মোহর ধরায় যারা ধর্মের ষাঁড় গোলায় ভরে, খায় না খাটে যারা ঋ ‘ঋষি’ মশাই শোনায় শমন, ধর্মেতে নেই মতি নরক তোদের শিয়রে শোন, হবে ভীষণ ক্ষতি এ এক্কা গাড়ি যাবে ছাড়ি চড়বে হওয়াই গাড়ি ধর্ম রক্ষায় ক্ষুদ্র জীবন যারাই দেবে ছাড়ি ঐ ঐ দেখা যায় শত্রু তোমার, খড়গ তুলে ধরো জীবন যদি যায় তবে যাক, ধর্ম রক্ষা করো ও ওই দেখা যায় স্বর্গ তোমার বৃথাই খোঁজো সুখ ধর্ম শত্রুই আসল শত্রু, মারলেই ঘোঁচে দুখ  ঔ ঔষধ পত্র, ছেলের শিক্ষা, কিম্বা মেয়ের বিয়ে এসব কিছুই তুচ্ছ, দ্যাখো ধর্মেতে মন দিয়ে ক কমল কাকুর মন ভরে যায়, গোলাম আলীর গা...

যে যায় লঙ্কায় - আলী হোসেন

যে যায় লঙ্কায় আলী হোসেন চ্যাং বলে ব্যাঙকে, কেন ডাকিস ঘ্যাঁঘো কান-মাথা ধরে যায় ডেকে যাস ম্যা-গো ব্যাঙ বলে শোন্ চ্যাঙ চোখ কান খুলে বেশি কথা বলবি তো দেবো কান মুলে এ রাজ্যের রানি আমি, রাজা তাই বর প্রজা হয়ে দোষ ধরিস, তুই তো বর্বর! চ্যাং বলে, সেকি কথা আইন তো জোর ডেসিবেল মেনে চলা উচিৎ না তোর!! ব্যাঙ বলে, আরে বোকা দেখ তুই চোখে অহেতুক মরলি তো শুধু বকে-শোকে যে রাজা করে আইন ভাঙে সেই জন না জানলে জান আগে, শোন দিয়ে মন চ্যাং বলে শোন্ ব্যাঙ আইন তো সবার সেটাই তো মেনে হবে, যা কিছু হবার ব্যাঙ বলে শোন্ চ্যাং বকিস না মেলা চারিদিকে ঘোরে দেখ মোর চেলাবেলা আইন যে করে জানিস তার অধিকার আইনকে মানা কিম্বা তাকে বধিবার চ্যাং বলে, শোন্ ব্যাঙ তুই হ’লি রানি আমরা মানছি বলে তুই হলি মানি রানি বলে চুপ যা, কথা শোনে মা-বোন যে-ই যায় লঙ্কায় সে-ই হয় রাবণ ---------xx-------- পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখুন ফেসবুকে ।

সত্যের পাঁচালি — আলী হোসেন

সত্যের পাঁচালি আলী হোসেন জানলে পাই তথ্য আর বুঝলে মেলে সত্য না বুঝলে জানার মানে বোঝার মাঝে গর্ত বুঝতে গেলে যুক্তি লাগে  সঙ্গে লাগে তথ্য বুদ্ধি দিয়ে বিশ্লেষণেই বেরিয়ে আসে সত্য। জানা মানেই বোঝা তো নয়, যেমন দুধ ও ঘি দুধ থেকে ঘি পেতে গেলে  জানেন লাগে কী? বিজ্ঞ জনের বুদ্ধি লাগে সঙ্গে বিশেষ ধী চিন্তায় লাগে মুক্ত বাতাস সন্দেহ আছে কি? বিশ্বাসের অনেক বয়স, চাপ গিয়েছে বেড়ে হাতড়ে বেড়ায় চারপাশটা  আসল সত্য ছেড়ে জানলে মেলে তথ্য কেবল  চিন্তায় মাথা গেঁড়ে বুদ্ধি ছোটে তথ্য ঘেঁটে সত্য আনতে পেড়ে -----------xx---------

ঝন্টের ঝামেলা - আলী হোসেন

ঝন্টের ঝামেলা আলী হোসেন ছড়া : ঝন্টের ঝামেলা - আলী হোসেন এই ব্যাটা ঝণ্টে,  তোর স্লেট কোনটে ধর কষে বাগিয়ে লেখ ‘ক’,  খুব মন লাগিয়ে। ‘ক’ লিখতে ‘ব’ লিখে, হল সে হাজির হতভাগা এত বড়, পা-ঝাড়া পাজির। রেগে গিয়ে শিক্ষক,  বলে কেশে খক খক এই তোর ‘ক’! দেখাচ্ছি মজা, এই বেলা চ’। উত্তরে ঝন্টে, বলে বা!  ভুল হল কোনটে? ‘ক’ লিখতে ভুলে গেছি ‘ব’এ দিতে আঁকড়া রাগ যদি না করেন, খেতে দেব কাঁকড়া। রেগে-গিয়ে শিক্ষক,  মাথায় দিল গাঁট্টা চোখ মোটা করে বলে,  মোর সাথে ঠাট্টা! --------xx------ রচনাকাল : ১৭/০৩/১৯৯৪ প্রকাশকাল ও পত্রিকা :   ‘বোধন’ সাহিত্য পত্রিকা ২৭/০২/১৯৯৮

মানব যখন দানব সাজে - আলী হোসেন

মানব যখন দানব সাজে আলী হোসেনের রাজনৈতিক ছড়া ইরাক ২১ মার্চ ২০০৩, বিমান হামলার সময় বিস্ফোরণ মানব যখন দানব সাজে বিবেক ওঠে লাটে মানব শিশু পায় না যিশু মসজিদ কিম্বা মঠে। যিশুর দেশে শিশু কাঁদে বুশের খুশি ঠোঁটে টনির কাঁধের শনি হাসে মরুর মাঠে-ঘাটে। গণতন্ত্রের গায়ক যারা গণহত্যায় মাতে গণের বুকে বুলেট চালায় লজ্জা হয় না তাতে। লজ্জা হল নারীর ভূষণ বীরের নাহি সাজে বুশ ব্লেয়ার বীর ও পুরুষ বিশ্ব বকছে বাজে। মুক্তি দেওয়ার যুক্তি দিয়েই বীরের ঘুষোঘুষি টনির টনক তেলের টানে এখন বেজায় খুশি। ঘুষ দিয়ে বুশ হলেন জয়ী টাকায় কিনে সেনা বেইমানেরই বেইমানিতে ইরাক হল কেনা। ---------xx-------- Ali Hossain H/O : Asraf Ali Nasker Brahmapur, Battala Bazar ( Near Post Office ) Kolkata-7000 96

ছানি

ছানি আলী হোসেন  গণতন্ত্রের মুখোশ পরে ঘুরছে দেশের রাজা রাজ ভিক্ষার আশায় প্রজা খাচ্ছে গরল গাঁজা রাজায় রাজায় পিরিত দেখেও হুশ ফেরেনা তাই রাজ পিরিতে বেহুস হয়ে ভাইকে মারে ভাই। ভাইয়ের রক্তে রাঙাও দু'হাত রাজার প্রেমে পড়ে রাজায় রাজায় দোস্তি ক'রে উলু খাগড়ায় মরে গণতন্ত্রের গাজন শুনে শিরদাঁড়া দাও এলিয়ে স্বপ্ন দেখার সাহস খোঁজো চক্ষু দুটো মেলিয়ে। জ্ঞান চক্ষুতে ছানি তোমার সন্ধ্যায় দেখো সকাল জানলে না কে লিখছে কেন তোমার ভাঙা কপাল। ---------xx--------- ✍️ পাঠকের মতামত 👉 দেখুন ফেসবুকে

আবু শামা

আ বু  শা মা ছড়াকার আলী হোসেনের ছড়া কবিতা  আবু শামা। ছবি : টিভি নাইন বাংলার  আবু তোর বড্ড বেশি জেদ ছেড়া কাঁথায় শুয়ে দেখাস দ্বিতীয় হওয়ার খেদ  আবু তোর সাহস বেজায় ভারি অভাব মাথায় নিয়ে টানিস ব্যর্থতাতে দাঁড়ি আবু তুই স্বপ্ন দেখিস ভারি আধ পেটা ভাত খেয়ে দেখাস মেধার খবরদারি আবু তুই দেখাস বাহাদুরি ভাগ চাষেতে ভাগ্য সপে খেলিস লুকোচুরি আবু তুই বড্ড বেশি ‘বোকা’ ভক্তদের বুক ভেঙে দিলি মস্ত বড় ধোঁকা আবু তুই মাদ্রাসায় না পড়ে ভক্তের ভাগাড় শূন্য করলি শনির বাহন চড়ে আবু তোর সপ্নের নেই ছাঁদ বামন হয়ে ছুঁতে যে চাস ইউপিএসসির চাঁদ আবু তুই আলোর ছবিয়াল দামেস্কেতে ইতিহাস হলি বাংলায় কবিয়াল? আবু তোর স্বপ্ন দেখার ঝোঁক বাঁচিয়ে রাখিস হটিয়ে দিয়ে কষ্ট কেনার লোক ---------------xx-------------- পাঠকের মতামত দেখুন ফেসবুকে ২৬/০৫/২০২৩, রাত্রি ২ : ২৯

নারী

নারী আলী হোসেন নানান রূপে দেখাও দেখি চিনতে তবু পারি রংধনু রং মেখে তুমি স্বপ্ন দেখাও ভারী নানান রূপে সামনে এসে আগলে রাখো যেই ভাবতে পারি মায়ের এরূপ তুলনা যার নেই দুঃখ সুখের ঘরে যখন বিষম বাতাস বায় পালের মত হালের পাশে প্রিয় তোমায় পায় নানান রূপে যখন দেখি মায়ের মত মুখে দু’গাল ভরে সোহাগ ছাপো কন্যা হয়ে বুকে কিশোর কালে কিশোরী হও বন্ধুর বেশে এসে ফাগুন মাসে আগুন হয়ে পোড়াও ভালোবেসে পোড়াও পোড় ভাঙো গড় সঙ্গী যখন আমি দু’য়ের মধ্যে এক'কে বলা যায় না মোটেও দামি দু'হাত ছাড়া কেউ যেহেতু কিচ্ছুটি নাই পারি এক হাত তার পুরুষ হলে অন্যটা ঠিক নারী।

একলা হলে

একলা হলে - আলী হোসেন একলা হলে : আলী হোসেন  তুমি কি দেখবে খুলে ইমেল গেলে তোমার নামে তাতে কী শিশির ভেজা সুবাস আছে পাতায় মুড়ে ভেবো, একটু একলা হলে তুমি কি দেখবে খুলে দুচোখ মেলে তার বুকেতে লুকিয়ে রাখা সোহাগ মাখা টুকরো কথা  বুকটা জুড়ে ভেবো, একটু একলা হলে তুমি কি দেখবে খুলে মনের ভুলে তোমার নামে একমুঠো রোদ পাঠিয়ে ছিলাম সংগোপনে মাখবে বলে ভেবো, একটু একলা হলে তুমি কি অচিনপুরে ভর দুপুরে একলা থাকো আমায় ভেবে আজও কি আগুন রাঙা পলাশ ফোটে মন চাতালে  একলা হলে বোলো, একটু সময় পেলে তুমি কি সেই চাতালে মন মাতালে জলের মত আমায় ভেবে তুমি কি লিখবে ভুলে ইমেল খুলে সে সব কথা সময় পেলে ভেবো, একটু একলা হলে আমি তো বেশ ভাবতে পারি জাগতে পারি তোমায় ভেবে রাত্রি যেই পেখম মেলে নিশুতি হয় আগের মত  একলা হলে ভেবো, তুমিও সময় পেলে আমি তো বেশ থাকতে পারি চোখ ডুবিয়ে তোমার মেলে তুমি ঠিক লিখছো কিছু হাঁটছো পিছু আমায় ভেবে একলা হলে ভেবো, একটু সময় পেলে। ------------xx-----------

কাশির বাঁশি

কাশির বাঁশি - আলী হোসেন কাশির শব্দ হাঁচির মত বাজছে সকাল সন্ধ্যা দক্ষিণ হওয়ায় ঠান্ডা ফেঁসে হঠাৎ হল বন্ধ্যা ঠান্ডা ছুটছে এলোমেলো ফেলছে গরম শ্বাস উচ্চ গলায় বলছে হেঁকে  লোভেই সর্বনাশ  মাথা এখন কাজ করেনা এদিক ওদিক চাই ডাইনে যেতে যেতেই আবার বাঁদিক চলে যাই  বন্ধু আমার বৃক্ষ দাদার শাসন ছিল চড়া যখন তখন বার হওয়াতে নিষেধ ছিল কড়া কিন্তু দেখো একটু ভেবে আমার কী দোষ ছিল নরবানর দাঁত খিঁচিয়ে ঘাড়টা মটকে দিল বৃক্ষ দাদার মাথায় ফেলে উন্নয়নের বাজ আমায় পঙ্গু করে দিল কঠিন হল কাজ ঠান্ডা আমি গরম হওয়ায়  পান পেয়ালা সাজাই আর হঠাৎ আমি গরম হলে কাশির বাঁশি বাজাই ------X------- পাঠকের মতামত দেখুন ফেসবুকে : এখানে ক্লিক করুন  👁️‍🗨️ লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে (২৯/০১/২০২৩) দীনদর্পণ দৈনিকের সাহিত্যের পাতা ‘সাহিত্য দর্পণ’- এ। সরাসরি পত্রিকা পড়তে এখানে ক্লিক করুন

রংধনু

কয়েক বছর আগে রংধনুকে নিয়ে লেখা ছড়া। ওর জন্মদিনে লিখেছিলাম। তাই দিয়েই আবার তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালাম। ভালো থেকো সোনামণি.... রঙধনু তুই আকাশ থেকে এলি নানা রঙে রাঙিয়ে দিয়ে বড় হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ছোট্ট মনে রঙ মাখিয়ে দিলি রঙধনু তুই আকাশ থেকে এলি রঙ দিলি তুই ফুলের গায়ে দেখলো সে ফুল আমার মায়ে মায়ের মনে স্বপ্ন এঁকে দিলি রঙধনু তুই আকাশ থেকে এলি মিষ্টি চোখের দৃষ্টিতে কালো মেঘের বৃষ্টিতে মনের কালি সবটা ধুয়ে দিলি রঙধনু তুই মায়ের কোলে এলি মায়ের আঁচল ভরিয়ে দিয়ে বুকের ব্যাথা সরিয়ে দিয়ে নতুন দুটি মনের মাঝে সেতুবন্ধ হলি রঙধনু তুই বাপের মনে এলি ছোট্ট দুটি ঠোটের ফাঁকে কিম্বা কোনো আঁধার বাঁকে হারিয়ে পাওয়া মানিক হয়ে গেলি হারিয়ে পাওয়া মানিক যে মা রঙধনু তোর প্রাণে সাতরঙা ফুল ফুটে উঠুক ভরুক ভুবন ঘ্রাণে। -------#------ ০৯/০৫/২০১২ উৎস জানতে এখানে ক্লিক করুন বাংলাদেশের বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক জুলফিকার শাহাদাৎ এর মেয়ে রংধনুর জন্মদিনে তাকে উদ্দেশ্য করে লেখা ছড়া। 

আলী হোসেনের জনপ্রিয় ছড়াগুলো পড়ুন